ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবিতে যমুনা সারকারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

সরিষাবাড়ী : বকেয়া মজুরির দাবিতে যমুনা সার কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় বকেয়া মজুরির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ জানুয়ারি, শনিবার সকালে যমুনা সারকাখানার প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন কারখানার মজুরিভিত্তিক শ্রমিকেরা।

কারখানার শ্রমিকেরা জানান, যমুনা সারকারখানায় দীর্ঘদিন ধরে মজুরিভিত্তিক শ্রমিকের কাজ করে আসছেন তারা।  আল-মমিন আউটসোর্সিং শ্রমিকদের পরিচালনায় কাজ পেয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে তারা মজুরি পাচ্ছেন না।

বিষয়টি বার বার যমুনা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারকে জানিয়েও তারা আজও বেতনের কোন সমাধান পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি। যদি দ্রুত বেতন পরিশোধ না করে তাহলে শ্রমিকেরা কঠিন  আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। ।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, যমুনা সারকারখানায় বিভিন্ন দপ্তরে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী সরবরাহে গত বছরের ২১ আগস্ট ঢাকার হাতিরপুল এলাকায় আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী কারখানা চালু অবস্থায় ২৩৯ জন এবং বন্ধকালীন ১৬৫ জন শ্রমিক সরবরাহ করার কথা ছিল। কার্যাদেশ পাওয়ার পর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে ১৯০ জন শ্রমিকের মজুরি বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিস লিমিটেডের মালিক মো. মমিনুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, দৈনিকভিত্তিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫ মোতাবেক এবং চুক্তি কার্যাদেশ অনুযায়ী কারখানায় সকল শ্রমিক তার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার কথা। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ সেই চুক্তির কার্যাদেশ লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে ১৯০ জন শ্রমিকের নভেম্বর থেকে মজুরি দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।

যমুনা সারকারখানার উপ-মহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, শ্রমিকদের বেতনের পরিশোধের জন্য ঠিকাদারকে গত ১৮ ও ২৯ ডিসেম্বর দুটি চিঠির মাধ্যমে ২৩৯ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধের কথা জানানো হয়। এরপরও বেতন পরিশোধ না করায় শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) কে  জানানো হয়। এরপর তারা ঠিকাদারকে নোটিশ করে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে প্রমাণাদি প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করলেও এখনও বেতন পরিশোধ করে নাই। বিষয়টি দুঃখজনক।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবিতে যমুনা সারকারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

আপডেট সময় ০৯:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় বকেয়া মজুরির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ জানুয়ারি, শনিবার সকালে যমুনা সারকাখানার প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন কারখানার মজুরিভিত্তিক শ্রমিকেরা।

কারখানার শ্রমিকেরা জানান, যমুনা সারকারখানায় দীর্ঘদিন ধরে মজুরিভিত্তিক শ্রমিকের কাজ করে আসছেন তারা।  আল-মমিন আউটসোর্সিং শ্রমিকদের পরিচালনায় কাজ পেয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে তারা মজুরি পাচ্ছেন না।

বিষয়টি বার বার যমুনা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারকে জানিয়েও তারা আজও বেতনের কোন সমাধান পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি। যদি দ্রুত বেতন পরিশোধ না করে তাহলে শ্রমিকেরা কঠিন  আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। ।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, যমুনা সারকারখানায় বিভিন্ন দপ্তরে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী সরবরাহে গত বছরের ২১ আগস্ট ঢাকার হাতিরপুল এলাকায় আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী কারখানা চালু অবস্থায় ২৩৯ জন এবং বন্ধকালীন ১৬৫ জন শ্রমিক সরবরাহ করার কথা ছিল। কার্যাদেশ পাওয়ার পর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে ১৯০ জন শ্রমিকের মজুরি বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিস লিমিটেডের মালিক মো. মমিনুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, দৈনিকভিত্তিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫ মোতাবেক এবং চুক্তি কার্যাদেশ অনুযায়ী কারখানায় সকল শ্রমিক তার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার কথা। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ সেই চুক্তির কার্যাদেশ লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে ১৯০ জন শ্রমিকের নভেম্বর থেকে মজুরি দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।

যমুনা সারকারখানার উপ-মহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, শ্রমিকদের বেতনের পরিশোধের জন্য ঠিকাদারকে গত ১৮ ও ২৯ ডিসেম্বর দুটি চিঠির মাধ্যমে ২৩৯ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধের কথা জানানো হয়। এরপরও বেতন পরিশোধ না করায় শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) কে  জানানো হয়। এরপর তারা ঠিকাদারকে নোটিশ করে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে প্রমাণাদি প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করলেও এখনও বেতন পরিশোধ করে নাই। বিষয়টি দুঃখজনক।