ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

জামালপুরে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জামালপুর : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম  

জামালপুরে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের আওতায় তাদের পছন্দ অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের পছন্দের প্রশংসা করতে হয়। আমরা আশা করি তোমরা ভালভাবে পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হবে। একদিন তোমরা এই নিবাস ছেড়ে চলে যাবে। শিক্ষা শেষ করে চাকরি করবে। একদিন তোমাদের নিজস্ব এবং নির্ভরযোগ্য একটি ঠিকানা হবে।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলামে সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম প্রধান ও কেন্দ্রের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য বাংলারচিঠি ডটকমের সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। নিবাসীর শতাধিক ছেলে-মেয়ে শীতবস্ত্র গ্রহণ করে। নতুন পোশাক পেয়ে সবাই আনন্দ প্রকাশ করেছে।

প্রসঙ্গত, জামালপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র বালক ও বালিকাদের পৃথক নিবাস রয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিশেষ করে এতিম, হারিয়ে যাওয়া, পাচার হয়ে আসা শিশুরা এই কেন্দ্রে অবস্থান করে। এখানে তাদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

জামালপুরে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

আপডেট সময় ০৮:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের আওতায় তাদের পছন্দ অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের পছন্দের প্রশংসা করতে হয়। আমরা আশা করি তোমরা ভালভাবে পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হবে। একদিন তোমরা এই নিবাস ছেড়ে চলে যাবে। শিক্ষা শেষ করে চাকরি করবে। একদিন তোমাদের নিজস্ব এবং নির্ভরযোগ্য একটি ঠিকানা হবে।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলামে সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম প্রধান ও কেন্দ্রের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য বাংলারচিঠি ডটকমের সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। নিবাসীর শতাধিক ছেলে-মেয়ে শীতবস্ত্র গ্রহণ করে। নতুন পোশাক পেয়ে সবাই আনন্দ প্রকাশ করেছে।

প্রসঙ্গত, জামালপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র বালক ও বালিকাদের পৃথক নিবাস রয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিশেষ করে এতিম, হারিয়ে যাওয়া, পাচার হয়ে আসা শিশুরা এই কেন্দ্রে অবস্থান করে। এখানে তাদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।