ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী র‌্যাবের অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় যেন ১১৯ বছরের আলোকবর্তিকা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন

জামালপুরে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জামালপুর : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম  

জামালপুরে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের আওতায় তাদের পছন্দ অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের পছন্দের প্রশংসা করতে হয়। আমরা আশা করি তোমরা ভালভাবে পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হবে। একদিন তোমরা এই নিবাস ছেড়ে চলে যাবে। শিক্ষা শেষ করে চাকরি করবে। একদিন তোমাদের নিজস্ব এবং নির্ভরযোগ্য একটি ঠিকানা হবে।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলামে সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম প্রধান ও কেন্দ্রের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য বাংলারচিঠি ডটকমের সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। নিবাসীর শতাধিক ছেলে-মেয়ে শীতবস্ত্র গ্রহণ করে। নতুন পোশাক পেয়ে সবাই আনন্দ প্রকাশ করেছে।

প্রসঙ্গত, জামালপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র বালক ও বালিকাদের পৃথক নিবাস রয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিশেষ করে এতিম, হারিয়ে যাওয়া, পাচার হয়ে আসা শিশুরা এই কেন্দ্রে অবস্থান করে। এখানে তাদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু

জামালপুরে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

আপডেট সময় ০৮:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের আওতায় তাদের পছন্দ অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নিবাসী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের পছন্দের প্রশংসা করতে হয়। আমরা আশা করি তোমরা ভালভাবে পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হবে। একদিন তোমরা এই নিবাস ছেড়ে চলে যাবে। শিক্ষা শেষ করে চাকরি করবে। একদিন তোমাদের নিজস্ব এবং নির্ভরযোগ্য একটি ঠিকানা হবে।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলামে সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম প্রধান ও কেন্দ্রের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য বাংলারচিঠি ডটকমের সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। নিবাসীর শতাধিক ছেলে-মেয়ে শীতবস্ত্র গ্রহণ করে। নতুন পোশাক পেয়ে সবাই আনন্দ প্রকাশ করেছে।

প্রসঙ্গত, জামালপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র বালক ও বালিকাদের পৃথক নিবাস রয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিশেষ করে এতিম, হারিয়ে যাওয়া, পাচার হয়ে আসা শিশুরা এই কেন্দ্রে অবস্থান করে। এখানে তাদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।