ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান

শেরপুর : গুণীজনের হাতে সম্মানা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গুণীজন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর, শনিবার রাতে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আ. জ. ম. রেজাউল করিম জুয়েল।

সংগঠনের সভাপতি মো. রাহাতুল ইসলাম আলোর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, শেরপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ, কবি হারুনুর রশিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সদস্য কবি আইনুন নাঈমা।

বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ অবদান রাখায় শেরপুরের আটজন গুণীজনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। সম্মাননা স্মারকপ্রাপ্ত গুণীজনেরা হলেন- শিল্প ও সাহিত্যে শেরপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ, সাংবাদিকতায় কাকন রেজা, পরিবেশ সাংবাদিকতা ও ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফিতে মো. মুগনিউর রহমান মনি, চিকিৎসা সেবায় ডাক্তার মো. আসাদুজ্জামান, ইসলামী সাহিত্যে মহিউদ্দিন বিন জুবায়েদ, বাউল সংগীতে বয়াতি তারা মিয়া, ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রসারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ডপস্’ এবং সমাজসেবায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আজকের তারুণ্য’।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ বলেন, কবি, সাহিত্যিক, লেখক ও সাংবাদিকরা তাঁদের লেখনির মাধ্যমে দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। তাই দেশ তাদের কাছ থেকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কল্যাণমূলুক ভূমিকাই প্রত্যাশা করেন। তিনি এ ধরনের সুন্দর আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সুস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃৃতিকচর্চার মাধ্যমেই নিজেদেরকে সাংস্কৃতিমান মানুষ হিসাবে গড়ে তুলে সমাজের সকল অপসংস্কৃতিকে দূর করতে হবে।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিকালে কবিদের স্বরচিত ছড়া পাঠের আসর বসে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে। এতে শেরপুর ও জামালপুরের নবীণ ও প্রবীণ কবিদের মেলা বসে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান

আপডেট সময় ০৯:১৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গুণীজন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর, শনিবার রাতে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আ. জ. ম. রেজাউল করিম জুয়েল।

সংগঠনের সভাপতি মো. রাহাতুল ইসলাম আলোর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, শেরপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ, কবি হারুনুর রশিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সদস্য কবি আইনুন নাঈমা।

বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ অবদান রাখায় শেরপুরের আটজন গুণীজনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। সম্মাননা স্মারকপ্রাপ্ত গুণীজনেরা হলেন- শিল্প ও সাহিত্যে শেরপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ, সাংবাদিকতায় কাকন রেজা, পরিবেশ সাংবাদিকতা ও ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফিতে মো. মুগনিউর রহমান মনি, চিকিৎসা সেবায় ডাক্তার মো. আসাদুজ্জামান, ইসলামী সাহিত্যে মহিউদ্দিন বিন জুবায়েদ, বাউল সংগীতে বয়াতি তারা মিয়া, ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রসারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ডপস্’ এবং সমাজসেবায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আজকের তারুণ্য’।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ বলেন, কবি, সাহিত্যিক, লেখক ও সাংবাদিকরা তাঁদের লেখনির মাধ্যমে দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। তাই দেশ তাদের কাছ থেকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কল্যাণমূলুক ভূমিকাই প্রত্যাশা করেন। তিনি এ ধরনের সুন্দর আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সুস্থ সাহিত্য ও সাংস্কৃৃতিকচর্চার মাধ্যমেই নিজেদেরকে সাংস্কৃতিমান মানুষ হিসাবে গড়ে তুলে সমাজের সকল অপসংস্কৃতিকে দূর করতে হবে।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিকালে কবিদের স্বরচিত ছড়া পাঠের আসর বসে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে। এতে শেরপুর ও জামালপুরের নবীণ ও প্রবীণ কবিদের মেলা বসে।