ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : শোক র‍্যালি ও আলোচনা সভা করেছে জামালপুর জেলা বিএনপি

জামালপুর : শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানান জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার সকালে শোক র‍্যালি, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা করেছে জামালপুর জেলা বিএনপি।

দিবসটি উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর সকালে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ মোড় থেকে এক শোক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ফৌতি গোরস্থান স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে ও মহাশ্মশাশে শহীদ বেদীতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরা কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

জামালপুর : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জামালপুর জেলা বিএনপির শোক র‌্যালি বের করে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী যখন জাতির উপর বর্বরোচিত হামলা চালায় এবং বির্বিচারে খুন, গুম ও গণধর্ষণ শুরু করে তখন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এই জাতিকে সঠিক মুক্তির পথ না দেখিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তানের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য তিনি ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, যে কারণে নিজের জীবন বাজি রেখে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ জাতির মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা এই জাতিকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনের নামে ভারত গিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন।

ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই জাতির স্বাধীনতা যখন নিশ্চিত, পাক হানাদার বাহিনীও যখন বুঝতে পেরেছিল আর সম্ভব নয়। ঠিক সেই মুহূর্তে বিজয়ের ঠিক আগে পাক হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই জাতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার হীন কৌশলে ১৪ ডিসেম্বর এই দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আমরা আজকে সেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি, শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নূরুল মোমেন আকন্দ কাওছারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : শোক র‍্যালি ও আলোচনা সভা করেছে জামালপুর জেলা বিএনপি

আপডেট সময় ১১:৫১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার সকালে শোক র‍্যালি, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা করেছে জামালপুর জেলা বিএনপি।

দিবসটি উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর সকালে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ মোড় থেকে এক শোক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ফৌতি গোরস্থান স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে ও মহাশ্মশাশে শহীদ বেদীতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরা কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

জামালপুর : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জামালপুর জেলা বিএনপির শোক র‌্যালি বের করে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী যখন জাতির উপর বর্বরোচিত হামলা চালায় এবং বির্বিচারে খুন, গুম ও গণধর্ষণ শুরু করে তখন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এই জাতিকে সঠিক মুক্তির পথ না দেখিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তানের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য তিনি ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, যে কারণে নিজের জীবন বাজি রেখে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ জাতির মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা এই জাতিকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনের নামে ভারত গিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন।

ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই জাতির স্বাধীনতা যখন নিশ্চিত, পাক হানাদার বাহিনীও যখন বুঝতে পেরেছিল আর সম্ভব নয়। ঠিক সেই মুহূর্তে বিজয়ের ঠিক আগে পাক হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই জাতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার হীন কৌশলে ১৪ ডিসেম্বর এই দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আমরা আজকে সেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি, শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নূরুল মোমেন আকন্দ কাওছারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।