ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেওয়ানগঞ্জে ইঁদুর মারা বিষবড়ি খেয়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যু

দেওয়ানগঞ্জ : কানুক মিয়া ও কমল মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে ৭ ডিসেম্বর, রবিবার দুপুরে ইঁদুর মারার বিষবড়ি খেয়ে কানকু মিয়া ও কমল মিয়া মারা গেছেন।  কানকু মিয়া বানিয়াপাড়া গ্রামের মবজলমিয়ার ছেলে এবং কমল মিয়া পোড়াভিটা গ্রামের পচা সেখের ছেলে। তারা সম্পর্কে বিয়াই হন।।

জানা গেছে, ৭ ডিসেম্বর, দুপুরে কমল মিয়া যান কানকু মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে। তারা দুপুরের খাবার শেষে দু’জনের পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্টিকের ওষুধ ভেবে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধ সেবন করেন তারা। এরপর তাদের বুকে জ্বালাপোড়া ও বমি শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেয়ার পথে মারা যান কানকু মিয়া ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ ডিসেম্বর সকালে কমল মিয়া মারা যান। পরে পৃথক জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, মৃত দুই ব্যক্তির পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেননি। বিনাময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের আবেদন করেছে। তবে এ ঘটনায় থানায়  অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেওয়ানগঞ্জে ইঁদুর মারা বিষবড়ি খেয়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:৫৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে ৭ ডিসেম্বর, রবিবার দুপুরে ইঁদুর মারার বিষবড়ি খেয়ে কানকু মিয়া ও কমল মিয়া মারা গেছেন।  কানকু মিয়া বানিয়াপাড়া গ্রামের মবজলমিয়ার ছেলে এবং কমল মিয়া পোড়াভিটা গ্রামের পচা সেখের ছেলে। তারা সম্পর্কে বিয়াই হন।।

জানা গেছে, ৭ ডিসেম্বর, দুপুরে কমল মিয়া যান কানকু মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে। তারা দুপুরের খাবার শেষে দু’জনের পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্টিকের ওষুধ ভেবে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধ সেবন করেন তারা। এরপর তাদের বুকে জ্বালাপোড়া ও বমি শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেয়ার পথে মারা যান কানকু মিয়া ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ ডিসেম্বর সকালে কমল মিয়া মারা যান। পরে পৃথক জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, মৃত দুই ব্যক্তির পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেননি। বিনাময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের আবেদন করেছে। তবে এ ঘটনায় থানায়  অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।