ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের দায়ে একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুর : জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণ মামলার রায়ে আসামি মজমত আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। ৩০ নভেম্বর, রবিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মজমত আলী বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকার মৃত ইরফান আলীর ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০১৩ সালে স্বামীর কাছ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় ধর্ষণের শিকার ওই নারীর। এরপর থেকেই বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকায় তিনি তার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই এলাকায় মজমত আলী ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।

২০২০ সালের ১৯ জুলাই রাতে মজমত আলী ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে ওই নারী অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। ধর্ষণের অভিযোগে ওই বছরের ২৪ জুলাই বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই নারী। মামলায় ১০ জনের মধ্যে সাতজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির অনুপস্থিতিতে মামলাটির রায় ঘোষণা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।

দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রায়ে আসামি মজমত আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। জরিমানার অর্থ নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে দেওয়ার আদেশ দেন আদালত।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণের দায়ে একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুরে ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণ মামলার রায়ে আসামি মজমত আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। ৩০ নভেম্বর, রবিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মজমত আলী বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকার মৃত ইরফান আলীর ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০১৩ সালে স্বামীর কাছ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় ধর্ষণের শিকার ওই নারীর। এরপর থেকেই বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকায় তিনি তার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই এলাকায় মজমত আলী ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।

২০২০ সালের ১৯ জুলাই রাতে মজমত আলী ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে ওই নারী অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। ধর্ষণের অভিযোগে ওই বছরের ২৪ জুলাই বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই নারী। মামলায় ১০ জনের মধ্যে সাতজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির অনুপস্থিতিতে মামলাটির রায় ঘোষণা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।

দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রায়ে আসামি মজমত আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। জরিমানার অর্থ নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে দেওয়ার আদেশ দেন আদালত।