ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন জামালপুরে স্ক্রিপ্ট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন জামালপুরে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ ইসলামপুরে স্বাক্ষর জাল করে এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসির ফল বিপর্যয়, ৪৩৯ জনে পাস ১১১ জামালপুরে সাক্ষরতা কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে বিধবা নারীকে বিয়ে করায় ঘরছাড়া নবদম্পতি ইত্তেফাকুল উলামা জামালপুর জেলা কমিটিতে শামসুদ্দিন সভাপতি ও মোহাম্মদ আলী সম্পাদক নির্বাচিত

জামালপুর এপির কর্মসূচির গুণগত মান পর্যালোচনা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদরের ইউএনও জিন্নাত শহীদ পিংকী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজেদের এলাকার উন্নয়ন এবং নারী, শিশুসহ বিপদাপন্ন মানুষের জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে এলাকাবাসীর অংশগ্রহণ ও অবদানে ইতিমধ্যেই নানামুখী কাজের ফলাফল লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দু’দিনব্যাপী কমিউনিটি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভায় সেই চিত্রই ফোটে উঠেছে। শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষা এবং অভিনব কাজের প্রতিফলন ঘটেছে এপির কার্যক্রমের মাধ্যমে।

বিপদাপন্ন শিশুদের প্রতিগুরুত্বারোপ, সহনশীলতা, নিজস্বতা বোধ তৈরি, সবুজ বিদ্যালয়, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্ব্যসম্মত এবং পরিবেশবান্ধব গ্রাম গঠনের কার্যক্রম, শিশু ও কিশোরদের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল কাজের উদ্যোগ গ্রহণ, গণজাগরণমূলক বিভিন্ন প্রচারণা, স্পন্সরশিপ, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য সরবরাহ, নেটওয়ার্কিং, অ্যাডভোকেসি, সামাজিক সংহতি, বাল্যবিয়েমুক্ত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জেন্ডার সমতা, কৃষি উৎপাদনে আধুনিকায়ন, পুষ্টি উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ, ফাইভ জিরো প্লাসসহ বহুমাত্রিক কাজের সমাহার ঘটেছে এপির কর্মএলাকায়।

পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভাকক্ষটিতে থরে থরে সাজানো উল্লেখিত কার্যক্রমের প্রতিবেদন, ছবি থেকে ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। ১৬ নভেম্বর, রবিবার জামালপুরে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী কমিউনিটি বার্ষিক পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা উদ্বোধন করেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাত শহীদ পিংকী। এতে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। উদ্বোধনী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেন।

এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের জামালপুর এপির কমিউনিটি এনগেজমেন্ট এন্ড পার্টনারশিপ কোঅর্ডিনেটর সত্যভ্রত সাহা, জামালপুর এপির ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রাম ম্যানেজার উজ্জ্বল পেট্রিক কোরাইয়া ও উন্নয়ন সংঘের এপি ম্যানেজার মিনারা পারভীন।

১৭ নভেম্বর, সোমবার সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল আলম মোল্লা, পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, অপরাজেয় বাংলাদেশের সেন্টার ম্যানেজার আশরাফুল আলম ও শিশু প্রতিনিধি অর্পা।

দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সমাজসেবা, সমবায়, যুব উন্নয়ন, শিক্ষা বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, গ্রাম ও নগর উন্নয়ন কমিটি, শিশু ফোরাম, বিভিন্ন সমমনা এনজিও প্রতিনিধি, এপির কর্মীবৃন্দসহ মোট ৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। জামালপুর সুইড প্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত সভাটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উন্নয়ন সংঘের এপি ম্যানেজার মিনারা পারভীন বলেন, এপি কার্যক্রমের সহায়তায় গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ এলকার মানচিত্র তৈরির পাশাপাশি, বিভিন্ন সম্পদ, প্রতিষ্ঠান, জনসংখ্যা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। যা এ সভায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি এলাকার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভিডিসির সদস্যরা স্বপ্নের একটি গ্রামের চিত্র তৈরি করে। এসব বিষয় নিয়ে দু’দিনের সভায় কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনা শেষে এক বছরের জন্য একটি লাগসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

তিনি আরও জানান, শিশুদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্যে খানার স্থায়ী আয়ের উৎসে সহযোগিতা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, ওয়াস, শিশু সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে জামালপুরে বাস্তবায়ন হচ্ছে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) নামে ১০ বছর মেয়াদি কর্মসূচি। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সংঘ জামালপুরে এপি বাস্তবায়ন করছে।

সভা সূত্র জানায়, এরিয়া প্রোগ্রামটি জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর, শরিফপুর ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভার ১, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন ২০২১ সাল থেকে করে আসছে। চলতি বছর থেকে জামালপুর সদর উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এবং পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর জন্যে ইতিমধ্যে লোকবল নিয়োগ করা হয়েছে ।

কার্যক্রমের মধ্যে জীবিকায়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস এবং স্পন্সরশীপ অন্যতম। এরমধ্যে আবার দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ সম্মত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জিঙ্ক ধান উৎপাদন, অতিদারিদ্রের উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, দল গঠন, সক্ষমতার বিকাশ ঘটানো, প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিপদাপন্ন শিশুর তালিকা তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে হংকং এবং মালয়েশিয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন

জামালপুর এপির কর্মসূচির গুণগত মান পর্যালোচনা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৪০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

নিজেদের এলাকার উন্নয়ন এবং নারী, শিশুসহ বিপদাপন্ন মানুষের জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে এলাকাবাসীর অংশগ্রহণ ও অবদানে ইতিমধ্যেই নানামুখী কাজের ফলাফল লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দু’দিনব্যাপী কমিউনিটি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভায় সেই চিত্রই ফোটে উঠেছে। শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষা এবং অভিনব কাজের প্রতিফলন ঘটেছে এপির কার্যক্রমের মাধ্যমে।

বিপদাপন্ন শিশুদের প্রতিগুরুত্বারোপ, সহনশীলতা, নিজস্বতা বোধ তৈরি, সবুজ বিদ্যালয়, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্ব্যসম্মত এবং পরিবেশবান্ধব গ্রাম গঠনের কার্যক্রম, শিশু ও কিশোরদের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল কাজের উদ্যোগ গ্রহণ, গণজাগরণমূলক বিভিন্ন প্রচারণা, স্পন্সরশিপ, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য সরবরাহ, নেটওয়ার্কিং, অ্যাডভোকেসি, সামাজিক সংহতি, বাল্যবিয়েমুক্ত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জেন্ডার সমতা, কৃষি উৎপাদনে আধুনিকায়ন, পুষ্টি উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ, ফাইভ জিরো প্লাসসহ বহুমাত্রিক কাজের সমাহার ঘটেছে এপির কর্মএলাকায়।

পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভাকক্ষটিতে থরে থরে সাজানো উল্লেখিত কার্যক্রমের প্রতিবেদন, ছবি থেকে ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। ১৬ নভেম্বর, রবিবার জামালপুরে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী কমিউনিটি বার্ষিক পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা উদ্বোধন করেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাত শহীদ পিংকী। এতে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। উদ্বোধনী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেন।

এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের জামালপুর এপির কমিউনিটি এনগেজমেন্ট এন্ড পার্টনারশিপ কোঅর্ডিনেটর সত্যভ্রত সাহা, জামালপুর এপির ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রাম ম্যানেজার উজ্জ্বল পেট্রিক কোরাইয়া ও উন্নয়ন সংঘের এপি ম্যানেজার মিনারা পারভীন।

১৭ নভেম্বর, সোমবার সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল আলম মোল্লা, পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, অপরাজেয় বাংলাদেশের সেন্টার ম্যানেজার আশরাফুল আলম ও শিশু প্রতিনিধি অর্পা।

দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সমাজসেবা, সমবায়, যুব উন্নয়ন, শিক্ষা বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, গ্রাম ও নগর উন্নয়ন কমিটি, শিশু ফোরাম, বিভিন্ন সমমনা এনজিও প্রতিনিধি, এপির কর্মীবৃন্দসহ মোট ৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। জামালপুর সুইড প্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত সভাটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উন্নয়ন সংঘের এপি ম্যানেজার মিনারা পারভীন বলেন, এপি কার্যক্রমের সহায়তায় গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ এলকার মানচিত্র তৈরির পাশাপাশি, বিভিন্ন সম্পদ, প্রতিষ্ঠান, জনসংখ্যা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। যা এ সভায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি এলাকার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভিডিসির সদস্যরা স্বপ্নের একটি গ্রামের চিত্র তৈরি করে। এসব বিষয় নিয়ে দু’দিনের সভায় কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনা শেষে এক বছরের জন্য একটি লাগসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

তিনি আরও জানান, শিশুদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্যে খানার স্থায়ী আয়ের উৎসে সহযোগিতা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, ওয়াস, শিশু সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে জামালপুরে বাস্তবায়ন হচ্ছে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) নামে ১০ বছর মেয়াদি কর্মসূচি। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সংঘ জামালপুরে এপি বাস্তবায়ন করছে।

সভা সূত্র জানায়, এরিয়া প্রোগ্রামটি জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর, শরিফপুর ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভার ১, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন ২০২১ সাল থেকে করে আসছে। চলতি বছর থেকে জামালপুর সদর উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এবং পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর জন্যে ইতিমধ্যে লোকবল নিয়োগ করা হয়েছে ।

কার্যক্রমের মধ্যে জীবিকায়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস এবং স্পন্সরশীপ অন্যতম। এরমধ্যে আবার দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ সম্মত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জিঙ্ক ধান উৎপাদন, অতিদারিদ্রের উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, দল গঠন, সক্ষমতার বিকাশ ঘটানো, প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিপদাপন্ন শিশুর তালিকা তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে হংকং এবং মালয়েশিয়া।