জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থীই পাস করেনি। এছাড়া পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন, তিনটি প্রতিষ্ঠানে দু’জন ও তিনটি প্রতিষ্ঠানে তিনজন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
ফলাফলে দেখা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ হলেও রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেয়া আটহন পরীক্ষার্থীর কেউ উত্তীর্ণ হয়নি। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল, নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে একজন করে পরীক্ষায় পাস করেছে।
বিদ্যালয় ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে তিনজন, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে দুইজন ও কেপিএইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল থেকে ১৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৪ জন, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৭ জন, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল থেকে ২৩ জন ও নব্যচর কারিগরী কলেজ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে পাস করা আমাদের শিক্ষার একটি অশনি সংকেত। অব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের ঘাটতি এসব ফলাফলের জন্য দায়ী। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা এবং স্কুলের যে ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০২৫ সালে উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ছিলেন চার হাজার ৪৪৭ জন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে দুই হাজার ৩৪৬ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৭ জন শিক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় দুই হাজার ১০১জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
খাদেমুল ইসলাম : নিজস্ব প্রতিবেদক, মাদারগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 



















