ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নেতানিয়াহু’র বিরুদ্ধে খোদ ইসরাইলিদের বিক্ষোভ

গাজা উপত্যকার ওপর পুনরায় যুদ্ধ শুরুর ইসরাইলি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ করেছেন ইহুদিবাদী ইসরাইলের হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। তারা যুদ্ধাপরাধী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনর্বহাল ও অবশিষ্ট জিম্মিদের গাজা থেকে উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন।

তেল আবিব থেকে এএফপি এই খবর জানায়।

১৯ মার্চ বুধবার জেরুজালেন আল-কুদস শহরে ইসরাইলি পার্লামেন্ট- নেসেটের বাইরে বিক্ষোভ করেন ইসরাইলি প্রতিবাদকারীরা। তারা ইসরাইলের স্বার্থের ওপর নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, নেতানিয়াহু ইসরাইলি জিম্মিদের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন।

ইসরাইলি বিক্ষোভকারীরা জেরুজালেম যাওয়ার প্রধান মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই সময় তাদের হাতে বিশাল ব্যানারে লেখা ছিল, ‘নেতানিয়াহু সরকার অথবা ইসরাইলের ভবিষ্যতকে বাঁচাতে হবে।’

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইহুদিবাদী বাহিনী ১৭ মার্চ সোমবার মধ্যরাত থেকে আবার গাজাবাসীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার একদিন পর এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। ৪৮ ঘণ্টার ইসরাইলি আগ্রাসনে অন্তত ৯৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজন এলিয়াস শারাগা সিএনএন’কে বলেছেন, গাজায় আবার আগ্রাসন শুরু করার প্রধান লক্ষ্য নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় টিকে থাকা। নেতানিয়াহু আসলে দুর্নীতির বিচার থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।

১৮ মার্চ মঙ্গলবার সকালে ইসরাইলি আদালতের নেতানিয়াহুর দুর্নীতির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তার নির্দেশে গাজায় ভয়াবহ গণহত্যা চালানো হয়। শারাগা আরো বলেন, নিজেকে বিচারের হাত থেকে বাঁচাতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের জীবনকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। অথচ যুদ্ধবিরতি চালিয়ে গেলে তাদের মুক্ত করে আনা সম্ভব হতো।

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

নেতানিয়াহু’র বিরুদ্ধে খোদ ইসরাইলিদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৮:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

গাজা উপত্যকার ওপর পুনরায় যুদ্ধ শুরুর ইসরাইলি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ করেছেন ইহুদিবাদী ইসরাইলের হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। তারা যুদ্ধাপরাধী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনর্বহাল ও অবশিষ্ট জিম্মিদের গাজা থেকে উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন।

তেল আবিব থেকে এএফপি এই খবর জানায়।

১৯ মার্চ বুধবার জেরুজালেন আল-কুদস শহরে ইসরাইলি পার্লামেন্ট- নেসেটের বাইরে বিক্ষোভ করেন ইসরাইলি প্রতিবাদকারীরা। তারা ইসরাইলের স্বার্থের ওপর নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, নেতানিয়াহু ইসরাইলি জিম্মিদের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন।

ইসরাইলি বিক্ষোভকারীরা জেরুজালেম যাওয়ার প্রধান মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই সময় তাদের হাতে বিশাল ব্যানারে লেখা ছিল, ‘নেতানিয়াহু সরকার অথবা ইসরাইলের ভবিষ্যতকে বাঁচাতে হবে।’

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইহুদিবাদী বাহিনী ১৭ মার্চ সোমবার মধ্যরাত থেকে আবার গাজাবাসীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার একদিন পর এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। ৪৮ ঘণ্টার ইসরাইলি আগ্রাসনে অন্তত ৯৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজন এলিয়াস শারাগা সিএনএন’কে বলেছেন, গাজায় আবার আগ্রাসন শুরু করার প্রধান লক্ষ্য নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় টিকে থাকা। নেতানিয়াহু আসলে দুর্নীতির বিচার থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।

১৮ মার্চ মঙ্গলবার সকালে ইসরাইলি আদালতের নেতানিয়াহুর দুর্নীতির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তার নির্দেশে গাজায় ভয়াবহ গণহত্যা চালানো হয়। শারাগা আরো বলেন, নিজেকে বিচারের হাত থেকে বাঁচাতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের জীবনকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। অথচ যুদ্ধবিরতি চালিয়ে গেলে তাদের মুক্ত করে আনা সম্ভব হতো।