ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার মালুকু প্রদেশে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির আশঙ্কা নেই

৩ মার্চ সোমবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় মালুকু প্রদেশে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এর ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে, দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু এবং ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা।

জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ৩ মার্চ স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪২ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। যার কেন্দ্রস্থল ছিল মালুকু তেঙ্গা রিজেন্সি থেকে ৬৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার জরুরি ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্যান্ডি লুহুলিমা ফোনে সিনহুয়াকে বলেন, ’এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভূমিকম্পের ফলে কোনো গুরুতর প্রভাব পড়েনি এবং কোনো গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

১২৭টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির আবাসস্থল ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ারের ওপর অবস্থিত।

দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকির মুখে থাকে। অঞ্চলটি পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ায় এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প দেখা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার মালুকু প্রদেশে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির আশঙ্কা নেই

আপডেট সময় ০৯:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

৩ মার্চ সোমবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় মালুকু প্রদেশে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এর ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে, দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু এবং ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা।

জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ৩ মার্চ স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪২ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। যার কেন্দ্রস্থল ছিল মালুকু তেঙ্গা রিজেন্সি থেকে ৬৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার জরুরি ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্যান্ডি লুহুলিমা ফোনে সিনহুয়াকে বলেন, ’এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভূমিকম্পের ফলে কোনো গুরুতর প্রভাব পড়েনি এবং কোনো গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

১২৭টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির আবাসস্থল ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ারের ওপর অবস্থিত।

দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকির মুখে থাকে। অঞ্চলটি পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ায় এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প দেখা যায়।