ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জামালপুরের কৃতী সন্তান আইনজীবী হুমায়ুন করিম ফের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত

সরিষাবাড়ী : নবনিযুক্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশ সরকারের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কৃতী সন্তান আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিক।

৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পূর্বে দেওয়া সব নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ১৮০ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ প্রদান করা হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত উক্ত তালিকায় আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিকের নাম রয়েছে। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম এই দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিক জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের বাসুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মো. আব্দুল খালেক সরকার এবং মাতা বানু বেগম। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের তৃতীয়।

​তিনি স্থানীয় বাসুরিয়া শামসুন নাহার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গোপালপুরের হেমনগর ডিগ্রি কলেজ থেকে সফলতার সাথে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং অত্যন্ত সুনামের সাথে ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গ্রিন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষাজীবনেই তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক পথচলায় তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থাভাজন হয়ে উঠেন।

​আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে তিনি প্রথমে ঢাকা জজ কোর্টে তার আইন পেশা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস শুরু করেন। আইন অঙ্গনে দীর্ঘদিনের দক্ষতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনরায় পদায়ন করা হল।

​তাঁর এই অর্জনে জামালপুরের সরিষাবাড়ীসহ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ ও সহকর্মীরা শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন মেয়াদেও তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দায়িত্ব পালন করবেন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে জামায়াতের গণমিছিল

জামালপুরের কৃতী সন্তান আইনজীবী হুমায়ুন করিম ফের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত

আপডেট সময় ১১:০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কৃতী সন্তান আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিক।

৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পূর্বে দেওয়া সব নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ১৮০ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ প্রদান করা হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত উক্ত তালিকায় আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিকের নাম রয়েছে। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম এই দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

আইনজীবী মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিক জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের বাসুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মো. আব্দুল খালেক সরকার এবং মাতা বানু বেগম। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের তৃতীয়।

​তিনি স্থানীয় বাসুরিয়া শামসুন নাহার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গোপালপুরের হেমনগর ডিগ্রি কলেজ থেকে সফলতার সাথে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং অত্যন্ত সুনামের সাথে ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গ্রিন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষাজীবনেই তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক পথচলায় তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থাভাজন হয়ে উঠেন।

​আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে তিনি প্রথমে ঢাকা জজ কোর্টে তার আইন পেশা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস শুরু করেন। আইন অঙ্গনে দীর্ঘদিনের দক্ষতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনরায় পদায়ন করা হল।

​তাঁর এই অর্জনে জামালপুরের সরিষাবাড়ীসহ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ ও সহকর্মীরা শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন মেয়াদেও তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দায়িত্ব পালন করবেন।