ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

আপডেট সময় ০৪:৫২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।