বিল্লাল হোসেন মন্ডল
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২৪ মে সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ায় নিজ বাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সুমাইয়া মাস্টারপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে।
জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলার মেহেদী হাসানের সাথে বিয়ে হয় সুমাইয়ার। ছেলে পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের পরের দিন বাড়িতে এসে আর শ্বশুরবাড়ি জাননি সুমাইয়া। বিয়ের পর থেকে বাবার বাড়িতেই থাকেন তিনি। ঘটনার দিন ২৩ মে সুমাইয়া মায়ের সাথে বাড়ির পাশের খোলায় ধান শুকানোর কাজ করছিলেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে পরিবারের সকলের অগোচরে ঘরের ধর্নার সাথে উড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। পরে খবর পেয়ে ২৪ মে সকালে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সুমাইয়ার বাবা হাফিজুর রহমান বলেন, আমার তিন সন্তানের মধ্যে সুমাইয়া দ্বিতীয়। ওর মানসিক সমস্যা ছিল। ঘটনার দিন বাড়ির পাশে পরিবারের সবাই ধান শুকানোর কাজ করছিলাম সেখানে সুমাইয়াও ছিলো। সন্ধ্যায় সে আমাদের আগে বাড়িতে চলে আসে। রাতে বাড়ি ফিরে দেখি সুমাইয়ার থাকার ঘরের দরজা বন্ধ। বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 



















