ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।