ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর মাদারগঞ্জে ২২ জনকে প্রায় ৯ লাখ টাকার ঋণ সহায়তা প্রদান কমরেড মনজুরুল খানের ৮১তম জন্মদিনে বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা নকলায় ভারতীয় ৩৭ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ তরুণী আটক মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ১২ দফা দাবিতে জামালপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি পেশ ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।