ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক : সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

সারাদেশে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরহেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

১৫ মে রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে মোটরসাইকেল অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। এখন মোটামুটি সবাইহেলমেট পরে। কিন্তু ঢাকার বাইরেও একটা পলিসি নেওয়া দরকার।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নীতিতে চলতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসি, এসপিদের জানাতে হবে, যদি মোটরসাইকেল চালকদের কাউকে হেলমেটবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। পুরো বাংলাদেশে এই নিয়ম জারি করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। আজকে থেকে কোনোভাবেই হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়। আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে।

তিনি বলেন, সমতল থেকে পাহাড়ে আজকে সুন্দর সুন্দর রাস্তা, এতো রাস্তা হওয়ার পরও শৃঙ্খলা আসে না। এতকিছু করে কী লাভ কোন ফলাফল আসছে না। এত রাস্তা, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু,টানেল করা হচ্ছে কিন্তু যানজট বা দূর্ঘটনা কমছে না। সবাই তো আমাকে বলে।

এ সময় ঝালকাঠিতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪০ বছরের পুরানো গাড়ি কীভাবে সড়কে চলে। ঢাকা শহরের লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোর গরীব গরীব চেহারার। ঢাকার চেয়ে গ্রামের গাড়িগুলো ভালো। এতোদিন কী করছিল বিআরটিএ জানতে চান তিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।