শেরপুরের নকলা উপজেলায় যাত্রী উঠানোতে কেন্দ্র করে বাস ও সিএনজি চালকদের চলন্ত গাড়িতে মারামারির জেরে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। ৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল কাদির (৬০) উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার মৃত হুরমুজ আলীর ছেলে। তিনি নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ‘স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘রংধনু পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নকলা পুরাতন সিনেমা হল চত্বর থেকে যাত্রী উঠায়। এতে স্থানীয় সিএনজি চালকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে সিএনজি চালকরা জোরপূর্বক চলন্ত বাসে উঠে পড়েন। বাসের স্টাফদের সাথে তীব্র তর্ক-বিতর্কের পর মারামারিতে লিপ্ত হন। চলন্ত বাসের ভেতরে দুপক্ষের এই মারামারির কারণে একপর্যায়ে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তখন কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুল কাদিরকে বাসটি সজোরে চাপা দেয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার শাবনাজ বেগম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ এই প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘাতক বাসের চালক ও হেলপারকে আটক করেছে। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শফিউল আলম লাভলু : নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম 
















