ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যমুনায় বালু উত্তোলন নিয়ে সরিষাবাড়ীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ গুম বিষয়ক প্রস্তাবিত আইন ভিকটিমের সরাসরি ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামপুর উপজেলা সমিতি ঢাকার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ মাদারগঞ্জে ডোবায় পড়ে ১০ মাসের শিশুর মৃত্যু দলের নাম ভাঙিয়ে নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই : শামীম তালুকদার জামালপুরে জাতীয় যুবশক্তির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে দুই শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে থানায় মামলা ইসলামপুর হবে আগামী প্রজন্মের সেরা বাসস্থান : সুলতান মাহমুদ বাবু যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে কাজ করছে বিএনপি সরকার : শামীম তালুকদার দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনায় বালু উত্তোলন নিয়ে সরিষাবাড়ীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।