ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।