ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক-জোবায়দা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক দুর্নীতির মামলা চলবে : হাইকোর্ট

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বৈধতা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি জানান, আদালত বলেছেন, জোবায়দা রহমান পলাতক থাকায় তার রিট গ্রহণযোগ্য নয়।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান আলাদা তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি রয়েছে। তিনি পলাতক আসামি। তার বিরুদ্ধে রুল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। জোবায়দা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। এটি আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে। দুদক আইনজীবী বলেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি করা হয়। মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রিট মামলাগুলো ১৯ এপ্রিল কার্যতালিকায় আসে। পরে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

এদিকে, একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন ডা. জোবায়দা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। গত ১৩ এপ্রিল আবেদন খারিজ করেন আপিল বিভাগ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক-জোবায়দা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক দুর্নীতির মামলা চলবে : হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৫:৪২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বৈধতা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি জানান, আদালত বলেছেন, জোবায়দা রহমান পলাতক থাকায় তার রিট গ্রহণযোগ্য নয়।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান আলাদা তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি রয়েছে। তিনি পলাতক আসামি। তার বিরুদ্ধে রুল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। জোবায়দা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। এটি আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে। দুদক আইনজীবী বলেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি করা হয়। মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রিট মামলাগুলো ১৯ এপ্রিল কার্যতালিকায় আসে। পরে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

এদিকে, একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন ডা. জোবায়দা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। গত ১৩ এপ্রিল আবেদন খারিজ করেন আপিল বিভাগ।