ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

চাল মজুদদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান শুরু

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভোক্তাদের জন্য সুষ্ঠু খাদ্য সরবরাহ চেইন বজায় রাখার লক্ষ্যে এবং কতিপয় অসাধু বিক্রেতার কারসাজি রোধ করতে সরকার অবৈধ ধান-চাল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান শুরু করেছে।

অবৈধ ধান মজুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং চলমান ধান কাটার পূর্ণ মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজে বের করতে মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার একদিন পর এই অভিযান শুরু হয়।

৩১ মে সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযানের বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম. মজিবুর রহমান বাসসকে বলেন, এটা আমাদের রুটিন ওয়ার্ক এবং খাদ্য অধিদপ্তরের বৈধ লাইসেন্সধারী চাল ব্যবসায়ী, রাইস মিলারদের কেউই চলমান ফসল কাটার মৌসুমে তাদেও জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমার অতিরিক্ত চাল বা ধান মজুদ করতে পারবেন না।

ব্যবসায়ীদের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে এই কর্মকর্তা বলেন, কিছু ব্যবসায়ী ধান কাটার মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে ধান মজুদ করে যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা ফসল কাটার মৌসুমে অবৈধভাবে চাল বা ধান মজুদ করার চেষ্টা করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এই সিদ্ধান্তের আওতায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনটি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের অন্য পাঁচটি নিয়ে মোট আটটি টিম আজ থেকে অবৈধ খাদ্য মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।

একজন খাদ্য কর্মকর্তা জানান, সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ৩১ মে সন্ধ্যায় নগরীর বাবুবাজার পাইকারি চালের বাজারে অভিযান পরিচালনা করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের টিম। এসময় বেশির ভাগ ব্যবসায়ী তাদের দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

চাল ব্যবসায়ীদের খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও তাদের গোডাউনের খাদ্য মজুদ যাচাই করেছে দলটি। দলটি দেখেছে যে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক জারি করা বেশিরভাগ ট্রেডিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

এই অভিযান সারা বছরই চলবে উল্লেখ করে রহমান বলেন, ভোক্তাদের জন্য চাল ও ধানের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে সরকার মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও সারাদেশে অভিযানে অংশ নেবেন।

এ ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং ৮৮০২২২৩৩৮০২১১৩, ০১৭৯০৪৯৯৯৪২ এবং ০১৭১৩০০৩৫০৬ নম্বরে ডায়াল করে অবৈধ মজুদদারদের সম্পর্কে কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী শিগগিরইই কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বিত বৈঠকের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানম, অতিরিক্ত সচিব, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ খাদ্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

চাল মজুদদারদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান শুরু

আপডেট সময় ১০:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভোক্তাদের জন্য সুষ্ঠু খাদ্য সরবরাহ চেইন বজায় রাখার লক্ষ্যে এবং কতিপয় অসাধু বিক্রেতার কারসাজি রোধ করতে সরকার অবৈধ ধান-চাল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান শুরু করেছে।

অবৈধ ধান মজুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং চলমান ধান কাটার পূর্ণ মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজে বের করতে মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার একদিন পর এই অভিযান শুরু হয়।

৩১ মে সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযানের বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম. মজিবুর রহমান বাসসকে বলেন, এটা আমাদের রুটিন ওয়ার্ক এবং খাদ্য অধিদপ্তরের বৈধ লাইসেন্সধারী চাল ব্যবসায়ী, রাইস মিলারদের কেউই চলমান ফসল কাটার মৌসুমে তাদেও জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমার অতিরিক্ত চাল বা ধান মজুদ করতে পারবেন না।

ব্যবসায়ীদের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে এই কর্মকর্তা বলেন, কিছু ব্যবসায়ী ধান কাটার মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে ধান মজুদ করে যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা ফসল কাটার মৌসুমে অবৈধভাবে চাল বা ধান মজুদ করার চেষ্টা করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এই সিদ্ধান্তের আওতায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনটি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের অন্য পাঁচটি নিয়ে মোট আটটি টিম আজ থেকে অবৈধ খাদ্য মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।

একজন খাদ্য কর্মকর্তা জানান, সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ৩১ মে সন্ধ্যায় নগরীর বাবুবাজার পাইকারি চালের বাজারে অভিযান পরিচালনা করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের টিম। এসময় বেশির ভাগ ব্যবসায়ী তাদের দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

চাল ব্যবসায়ীদের খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও তাদের গোডাউনের খাদ্য মজুদ যাচাই করেছে দলটি। দলটি দেখেছে যে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক জারি করা বেশিরভাগ ট্রেডিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

এই অভিযান সারা বছরই চলবে উল্লেখ করে রহমান বলেন, ভোক্তাদের জন্য চাল ও ধানের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে সরকার মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও সারাদেশে অভিযানে অংশ নেবেন।

এ ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং ৮৮০২২২৩৩৮০২১১৩, ০১৭৯০৪৯৯৯৪২ এবং ০১৭১৩০০৩৫০৬ নম্বরে ডায়াল করে অবৈধ মজুদদারদের সম্পর্কে কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী শিগগিরইই কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বিত বৈঠকের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানম, অতিরিক্ত সচিব, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ খাদ্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।