ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুরে স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে দর্জি কারাগারে

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: সেলাইয়ের কাজ শেখানোর কথা বলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক দর্জিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ওই দর্জির নাম আব্দুস সামাদ (৫৫)। ঘটনাটি ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটের সামাদের টেইলার্সের দোকানে।

পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা রশিদ মিয়া বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ২০ ফেব্রুয়ারি বিকালে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত শুনানী শেষে সামাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

অভিযুক্ত আব্দুস সামাদ শেরপুর সদর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই গ্রামের মৃত বাহের মাহমুদের ছেলে। সামাদ শ্রীবরদীর জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটে দর্জি ব্যবসার সাথে জড়িত।

ভিকটিম জানায়, তার বাড়ি উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে। এবং পূর্ব জিনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। পার্শ্ববর্তী জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটে দর্জি আব্দুস সামাদের দোকানে সে নিয়মিত জামা কাপড় তৈরি করতো। এ সুবাদে তাদের মধ্যে সখ্যতা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সেলাইয়ের কাজ শেখানোর কথা বলে সামাদ তাকে দোকানে ডেকে নিয়ে যায়।

পরে নানা প্রলোভন দিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুস সামাদকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে তার বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীবরদী থানার ওসি তদন্ত আবুল হাশিম জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। সেই সাথে আদালত আব্দুস সামাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

শেরপুরে স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে দর্জি কারাগারে

আপডেট সময় ০৬:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: সেলাইয়ের কাজ শেখানোর কথা বলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক দর্জিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ওই দর্জির নাম আব্দুস সামাদ (৫৫)। ঘটনাটি ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটের সামাদের টেইলার্সের দোকানে।

পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা রশিদ মিয়া বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ২০ ফেব্রুয়ারি বিকালে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত শুনানী শেষে সামাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

অভিযুক্ত আব্দুস সামাদ শেরপুর সদর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই গ্রামের মৃত বাহের মাহমুদের ছেলে। সামাদ শ্রীবরদীর জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটে দর্জি ব্যবসার সাথে জড়িত।

ভিকটিম জানায়, তার বাড়ি উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে। এবং পূর্ব জিনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। পার্শ্ববর্তী জিনিয়া বাজারের বিশু সুপার মার্কেটে দর্জি আব্দুস সামাদের দোকানে সে নিয়মিত জামা কাপড় তৈরি করতো। এ সুবাদে তাদের মধ্যে সখ্যতা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সেলাইয়ের কাজ শেখানোর কথা বলে সামাদ তাকে দোকানে ডেকে নিয়ে যায়।

পরে নানা প্রলোভন দিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুস সামাদকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে তার বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীবরদী থানার ওসি তদন্ত আবুল হাশিম জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। সেই সাথে আদালত আব্দুস সামাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।