ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের ডবল সাজা

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ধর্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডসহ ডবল সাজা দিয়েছে আদালত। ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখতারুজ্জামান ধর্ষকের অনুপস্থিতিতে ওই সাজার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মফিজুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার বৈঠামারি গ্রামের চানু মন্ডলের ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ জুলাই বেলা দুইটার দিকে শেরপুর সদরের সাপমারি দাখিল মাদরাসার ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রী মাদরাসা থেকে তিলকান্দি গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় মফিজুল তার দুই সহযোগীকে নিয়ে অটোরিকশাযোগে ছাত্রীকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়। পরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মফিজুল জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার ২৭ দিন পর ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর আদালতে চার্জগঠন করা হয়।

পরে জামিন নিয়ে অভিযুক্ত মফিজুল পালিয়ে যায়। বিচারিক পর্যায়ে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ধর্ষণের অভিযোগে মফিজুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস এবং অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডদেশ প্রদান করে আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের ডবল সাজা

আপডেট সময় ০৭:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ধর্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডসহ ডবল সাজা দিয়েছে আদালত। ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখতারুজ্জামান ধর্ষকের অনুপস্থিতিতে ওই সাজার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মফিজুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার বৈঠামারি গ্রামের চানু মন্ডলের ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ জুলাই বেলা দুইটার দিকে শেরপুর সদরের সাপমারি দাখিল মাদরাসার ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রী মাদরাসা থেকে তিলকান্দি গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় মফিজুল তার দুই সহযোগীকে নিয়ে অটোরিকশাযোগে ছাত্রীকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়। পরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মফিজুল জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার ২৭ দিন পর ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর আদালতে চার্জগঠন করা হয়।

পরে জামিন নিয়ে অভিযুক্ত মফিজুল পালিয়ে যায়। বিচারিক পর্যায়ে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ধর্ষণের অভিযোগে মফিজুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস এবং অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডদেশ প্রদান করে আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।