ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

নকলায় ওসির সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী শিশু আলিফ ফিরে পেল তার মাকে

প্রতিবন্ধী আলিফকে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেন নকলা থানার ওসি মো. মুশফিকুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শিশু আলিফকে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেন নকলা থানার ওসি মো. মুশফিকুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

পাঁচ বছরের শিশু প্রতিবন্ধী আলিফ মিয়াকে উদ্ধার করে তার মায়ের হাসিকে ফিরিয়ে দিলেন শেরপুরের নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান। ১৪ আগস্ট রাতে নকলা পৌরসভাধীন মমিনাকান্দা এলাকা থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করে তার মা পারভীন বেগমের কোলে ফিরিয়ে দেন থানা পুলিশ।

নকলা থানা সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী শিশু আলিফ মিয়াকে নিয়ে ঢাকায় বিভিন্ন বাসায় কাজ করতেন তার মা পারভীন বেগম। প্রায় ২০-২৫ দিন আগে শিশুটির বাবা সোহেল মিয়া চুরি করে নিয়ে আসে আলিফকে। সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে মা পারভীন বেগম। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অবশেষে নকলা থানার ওসি মো. মুশফিকুর রহমানের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেন সন্তানহারা মা পারভীন বেগম। এদিকে সোহেল মিয়া আলিফকে বিভিন্ন জায়গাতে সরিয়ে রেখে এবং সন্তানের কথা অস্বীকার করেন। পরে ১৪ আগস্ট রাতে নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু বক্কার সিদ্দীক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মমিনাকান্দা এলাকায় সোহেল মিয়ার নিজ বাড়ি থেকে আলিফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে পারভীন বেগম ছুটে আসেন থানায়। শিশু আলিফকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন মা পারভীন বেগম। সমাজের কাছে বোঝা হলেও মার কাছে প্রতিবন্ধী শিশু কোন বোঝা না তা যেন আবারও প্রমাণ করল পারভীন বেগম। খবরটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহল ওসিকে অভিনন্দন জানানো শুরু করে।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান জানান, আমি ঘটনাটি যখন জানতে পারি তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেই শিশুটিকে উদ্ধার করার জন্য। একজন মায়ের সন্তান হারানোর আর্তনাদ আমার মনেও দাগ কেটেছে। আলিফকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমিও অনেক স্বস্তি পেয়েছি। আমরা পুলিশরা কাজ করি দেশ ও মানুষের জন্য। পুলিশী সেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়াটাই আমাদের লক্ষ্য। সকলের সহযোগিতা পেলে আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারব। ফিরে আসবে কাজের গতি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

নকলায় ওসির সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী শিশু আলিফ ফিরে পেল তার মাকে

আপডেট সময় ০২:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১
শিশু আলিফকে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেন নকলা থানার ওসি মো. মুশফিকুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

পাঁচ বছরের শিশু প্রতিবন্ধী আলিফ মিয়াকে উদ্ধার করে তার মায়ের হাসিকে ফিরিয়ে দিলেন শেরপুরের নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান। ১৪ আগস্ট রাতে নকলা পৌরসভাধীন মমিনাকান্দা এলাকা থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করে তার মা পারভীন বেগমের কোলে ফিরিয়ে দেন থানা পুলিশ।

নকলা থানা সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী শিশু আলিফ মিয়াকে নিয়ে ঢাকায় বিভিন্ন বাসায় কাজ করতেন তার মা পারভীন বেগম। প্রায় ২০-২৫ দিন আগে শিশুটির বাবা সোহেল মিয়া চুরি করে নিয়ে আসে আলিফকে। সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে মা পারভীন বেগম। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অবশেষে নকলা থানার ওসি মো. মুশফিকুর রহমানের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেন সন্তানহারা মা পারভীন বেগম। এদিকে সোহেল মিয়া আলিফকে বিভিন্ন জায়গাতে সরিয়ে রেখে এবং সন্তানের কথা অস্বীকার করেন। পরে ১৪ আগস্ট রাতে নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু বক্কার সিদ্দীক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মমিনাকান্দা এলাকায় সোহেল মিয়ার নিজ বাড়ি থেকে আলিফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে পারভীন বেগম ছুটে আসেন থানায়। শিশু আলিফকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন মা পারভীন বেগম। সমাজের কাছে বোঝা হলেও মার কাছে প্রতিবন্ধী শিশু কোন বোঝা না তা যেন আবারও প্রমাণ করল পারভীন বেগম। খবরটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহল ওসিকে অভিনন্দন জানানো শুরু করে।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান জানান, আমি ঘটনাটি যখন জানতে পারি তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেই শিশুটিকে উদ্ধার করার জন্য। একজন মায়ের সন্তান হারানোর আর্তনাদ আমার মনেও দাগ কেটেছে। আলিফকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমিও অনেক স্বস্তি পেয়েছি। আমরা পুলিশরা কাজ করি দেশ ও মানুষের জন্য। পুলিশী সেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়াটাই আমাদের লক্ষ্য। সকলের সহযোগিতা পেলে আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারব। ফিরে আসবে কাজের গতি।