ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরিষাবাড়ীতে চড়ক পূজা, জমজমাট মেলা, উপচে পড়া ভিড়

সরিষাবাড়ী : কামরাবাদ ইউনিয়নের সোনাকান্দর এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় চড়ক পূজা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

কালবৈশাখীকে কেন্দ্র করে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সাতদিনব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাচীন লোকজ ধর্মীয় উৎসব চড়ক পূজা শেষ হয়েছে। মহাদেবকে উৎসর্গ করে আয়োজিত এ পূজাকে ঘিরে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সোনাকান্দর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

১৫ মে, শুক্রবার উপজেলার সোনাকান্দর সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মাতা মন্দিরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ চড়ক পূজায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

আয়োজক কমিটি জানান, পুরোহিতদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এবারের চড়ক পূজায় চড়কদার হিসাবে অংশ নেন গোপাল চন্দ্র রায় ও পিন্টু বর্মন। চড়ক ঘোরার দৃশ্য দেখতে হাজারো মানুষ ভিড় করেন মেলা প্রাঙ্গণে। চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে বসে গ্রামীণ মেলা। স্থানীয় বিভিন্ন পণ্য নিয়ে দোকান সাজান ব্যবসায়ীরা। উৎসব ঘিরে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল তৎপর।

চড়ক পূজায় অংশ নেওয়া গোপাল চন্দ্র রায় বলেন,  প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মানত নিয়ে পূজায় অংশ নিয়েছি।  চড়ক পূজার মাধ্যমে আমাদের মনের আশা যেন পূরণ হয়। আমরা বিশ্ব মানবতার মঙ্গলও কামনা করছি।

সরিষাবাড়ী থানার উপ-পদির্শক (এসআই) সুব্রত কুমার এ প্রতিবেদককে বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রাচীন এ লোকজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিন্টু চন্দ্র বর্মন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সোনাকান্দর গ্রামের দেবভক্তবৃন্দ ও শিব যুবসংঘ বার্ষিক চড়ক পূজার আয়োজন করে আসছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এ পূজার মাধ্যমে দেব-দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। এই আয়োজন প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরিষাবাড়ীতে চড়ক পূজা, জমজমাট মেলা, উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় ১১:২৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

কালবৈশাখীকে কেন্দ্র করে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সাতদিনব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাচীন লোকজ ধর্মীয় উৎসব চড়ক পূজা শেষ হয়েছে। মহাদেবকে উৎসর্গ করে আয়োজিত এ পূজাকে ঘিরে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সোনাকান্দর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

১৫ মে, শুক্রবার উপজেলার সোনাকান্দর সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মাতা মন্দিরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ চড়ক পূজায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

আয়োজক কমিটি জানান, পুরোহিতদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এবারের চড়ক পূজায় চড়কদার হিসাবে অংশ নেন গোপাল চন্দ্র রায় ও পিন্টু বর্মন। চড়ক ঘোরার দৃশ্য দেখতে হাজারো মানুষ ভিড় করেন মেলা প্রাঙ্গণে। চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে বসে গ্রামীণ মেলা। স্থানীয় বিভিন্ন পণ্য নিয়ে দোকান সাজান ব্যবসায়ীরা। উৎসব ঘিরে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল তৎপর।

চড়ক পূজায় অংশ নেওয়া গোপাল চন্দ্র রায় বলেন,  প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মানত নিয়ে পূজায় অংশ নিয়েছি।  চড়ক পূজার মাধ্যমে আমাদের মনের আশা যেন পূরণ হয়। আমরা বিশ্ব মানবতার মঙ্গলও কামনা করছি।

সরিষাবাড়ী থানার উপ-পদির্শক (এসআই) সুব্রত কুমার এ প্রতিবেদককে বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রাচীন এ লোকজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিন্টু চন্দ্র বর্মন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সোনাকান্দর গ্রামের দেবভক্তবৃন্দ ও শিব যুবসংঘ বার্ষিক চড়ক পূজার আয়োজন করে আসছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এ পূজার মাধ্যমে দেব-দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। এই আয়োজন প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে।