ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সব জেলায় খাদ্যের মান পরীক্ষাগার স্থাপনে জাইকার সহযোগিতা প্রয়োজন : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের স্বাধীন গণমাধ্যমের অধিকার সুরক্ষায় মিশরের প্রতি ইইউর আহ্বান শব্দদূষণের নতুন ৪টি উৎস শনাক্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে দেওয়ানগঞ্জে জেসমিন প্রকল্পের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দক্ষ নাবিক তৈরিতে কোনো কম্প্রোমাইজ নয় : নৌপরিবহন সচিব

নবাঙ্কুরের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

জামালপুর : অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুস্থধারার সংস্কৃতি ও শিশু-কিশোরদের মেধাবিকাশ এবং সর্বোত্তম সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জেলার অন্যতম সংগঠন নবাঙ্কুর। সংগঠনটির ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ মে, শুক্রবার জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি। নবাঙ্কুরের সভাপতি রফিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি সযযাদ আনসারী, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও নবাঙ্কুরের উপাদেষ্টা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, সহ-সভাপতি রেজাউল রাশেদ, সহ-সভাপতি সাধন কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি গোবিন্দ সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নবাঙ্কুরের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার ঘোষ।

জামালপুর : নবাঙ্কুরের শিশুদের পরিবেশন করে নৃত্য। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি নবাঙ্কুরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে আক্ষেপের সাথে বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও আমরা আমাদের শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পারি নাই। এখনও সভ্য দুনিয়ায় আমাদের দেশে হামের টিকা না দেওয়ার কারণে শত শত অবুঝ শিশু প্রাণ হারায়। এ দায় কোনভাবেই এড়াতে পারি না।

জাহাঙ্গীর সেলিম তার বক্তব্যে বলেন, শিশুদের জন্য বিকাশের প্রতিটি ক্ষেত্র বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে। জামালপুর শহরের অধিকাংশ পুকুর ও খেলার মাঠ ধংস করে ফেলা হয়েছে। সাঁতারের অভাবে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। মুক্ত খোলা মাঠের অভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না। এদিকে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও কমিউনিটির কোন ভূমিকা নাই। অভিভাবকেরা সন্তানদের গোল্ডেন প্লাসের পেছনে ছুটছেন। এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম আমাদের গৌরবোজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য জানবে না। প্রকৃত মানুষ হওয়ার পথে বাধাগ্রস্ত হবে।

কবি সাযযাদ আনসারী বলেন, আমাদের শিশুদের দেশ চিনাতে হবে আগে। ৫৬ হাজার বর্গমাইল সীমানাটাই বাংলাদেশ নয়। দেশকে জানতে হলে অনেক গভীরে যেতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস, সভ্যতার উন্মেষ, মানুষ হয়ে উঠার গল্প জানতে হবে। দেশপ্রেমে জাগ্রত না করতে পারলে আমাদের শিশুদের মেধাবিকাশে চরমভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

আলোচনা সভা শেষে নবাঙ্কুরের শিশু শিল্পীরা পরিবেশন করে মনোজ্ঞ নৃত্য ও সঙ্গীত।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

নবাঙ্কুরের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

আপডেট সময় ১১:১২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

সুস্থধারার সংস্কৃতি ও শিশু-কিশোরদের মেধাবিকাশ এবং সর্বোত্তম সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জেলার অন্যতম সংগঠন নবাঙ্কুর। সংগঠনটির ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ মে, শুক্রবার জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি। নবাঙ্কুরের সভাপতি রফিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি সযযাদ আনসারী, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও নবাঙ্কুরের উপাদেষ্টা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, সহ-সভাপতি রেজাউল রাশেদ, সহ-সভাপতি সাধন কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি গোবিন্দ সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নবাঙ্কুরের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার ঘোষ।

জামালপুর : নবাঙ্কুরের শিশুদের পরিবেশন করে নৃত্য। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি নবাঙ্কুরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে আক্ষেপের সাথে বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও আমরা আমাদের শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পারি নাই। এখনও সভ্য দুনিয়ায় আমাদের দেশে হামের টিকা না দেওয়ার কারণে শত শত অবুঝ শিশু প্রাণ হারায়। এ দায় কোনভাবেই এড়াতে পারি না।

জাহাঙ্গীর সেলিম তার বক্তব্যে বলেন, শিশুদের জন্য বিকাশের প্রতিটি ক্ষেত্র বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে। জামালপুর শহরের অধিকাংশ পুকুর ও খেলার মাঠ ধংস করে ফেলা হয়েছে। সাঁতারের অভাবে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। মুক্ত খোলা মাঠের অভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না। এদিকে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও কমিউনিটির কোন ভূমিকা নাই। অভিভাবকেরা সন্তানদের গোল্ডেন প্লাসের পেছনে ছুটছেন। এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম আমাদের গৌরবোজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য জানবে না। প্রকৃত মানুষ হওয়ার পথে বাধাগ্রস্ত হবে।

কবি সাযযাদ আনসারী বলেন, আমাদের শিশুদের দেশ চিনাতে হবে আগে। ৫৬ হাজার বর্গমাইল সীমানাটাই বাংলাদেশ নয়। দেশকে জানতে হলে অনেক গভীরে যেতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস, সভ্যতার উন্মেষ, মানুষ হয়ে উঠার গল্প জানতে হবে। দেশপ্রেমে জাগ্রত না করতে পারলে আমাদের শিশুদের মেধাবিকাশে চরমভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

আলোচনা সভা শেষে নবাঙ্কুরের শিশু শিল্পীরা পরিবেশন করে মনোজ্ঞ নৃত্য ও সঙ্গীত।