ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মাদকাসক্ত যুবকের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড শেরপুরে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শেরপুরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলে যোগ দিলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক বকশীগঞ্জ সীমান্তে একজনকে পুশ ইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা জামালপুরে এফএনবি’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও উন্নয়ন ফোরাম গঠিত : সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক সেলিম কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, শেরপুরে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু নাট্যসাধনায় অনন্য: নাট্যকার ও নির্দেশক বীরমুক্তিযোদ্ধা আসাদুল্লাহ ফারাজী

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুসরণের আহ্বান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু রোগে বিচলিত বা আতঙ্কিত না হয়ে নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ২৯ জুলাই এক তথ্য বিবরণীতে একথা জানানো হয়। পরামর্শগুলোর মধ্যে রয়েছে :

বাড়িতে চিকিৎসা চলাকালীন সতর্কতা –

নীচের যেকোন একটি লক্ষণ দেখা দিলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে :
* জ্বর কমার প্রথম দিন রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি
* বার বার বমি/মুখে তরল খাবার খেতে না পারা
* পেটে তীব্র ব্যথা
* শরীর মুখ বেশি দুর্বল অথবা নিস্তেজ হয়ে পড়া/হঠাৎ করে অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া
* শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে যাওয়া/শরীর অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

বাড়িতে চিকিৎসা

পর্যাপ্ত বিশ্রাম (জ্বর চলাকালীন এবং জ্বরের পর এক সপ্তাহ)

* স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খাওয়া, যেমন খাবার স্যালাইন
* গ্লুকোজ, ভাতের মাড়, বার্লি, ডাবের পানি, দুধ/হরলিকস, বাসায় তৈরি ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি।

জ্বর থাকাকালীন চিকিৎসা: প্যারাসিটামল ট্যাবলেট

* পূর্ণবয়স্কদের জন্য : ২টি করে প্রতি ৬/৮ ঘণ্টা পর পর
* বাচ্চাদের জন্য: বয়স ও ওজন অনুসারে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী
* জ্বর থাকাকালীন রোগী দিনরাত সবসময় মশারির ভিতরে থাকবে।

জ্বর থাকাকালীন নিম্নোক্ত ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে-

* ব্যথানাশক ওষুধ (এন.এস.এ.আই.ডি গ্রুপ যেমন, ডাইক্লোফেন, আইবুপ্রোফেন, ন্যাপারক্সেন, মেফেন)
* এসপিরিন/ক্রোপিডোপ্রেল (এন্টি প্লাটিলেট গ্রুপ) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
* ওয়ারফারিন (এন্টিকোয়াগুলেন্ট) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
* এন্টিবায়েটিক জাতীয় ওষুধ (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে)
* কুসুম গরম পানি বা নরমাল তাপমাত্রার পানি দ্বারা সারা শরীর মোছা (এই ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি দেয়া)
* বাড়ি ও এর আশেপাশের এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিশ্চিহ্ন করা এবং মশার আবাসস্থলে স্প্রে করা

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুসরণের আহ্বান

আপডেট সময় ০৭:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু রোগে বিচলিত বা আতঙ্কিত না হয়ে নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ২৯ জুলাই এক তথ্য বিবরণীতে একথা জানানো হয়। পরামর্শগুলোর মধ্যে রয়েছে :

বাড়িতে চিকিৎসা চলাকালীন সতর্কতা –

নীচের যেকোন একটি লক্ষণ দেখা দিলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে :
* জ্বর কমার প্রথম দিন রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি
* বার বার বমি/মুখে তরল খাবার খেতে না পারা
* পেটে তীব্র ব্যথা
* শরীর মুখ বেশি দুর্বল অথবা নিস্তেজ হয়ে পড়া/হঠাৎ করে অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া
* শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে যাওয়া/শরীর অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

বাড়িতে চিকিৎসা

পর্যাপ্ত বিশ্রাম (জ্বর চলাকালীন এবং জ্বরের পর এক সপ্তাহ)

* স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খাওয়া, যেমন খাবার স্যালাইন
* গ্লুকোজ, ভাতের মাড়, বার্লি, ডাবের পানি, দুধ/হরলিকস, বাসায় তৈরি ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি।

জ্বর থাকাকালীন চিকিৎসা: প্যারাসিটামল ট্যাবলেট

* পূর্ণবয়স্কদের জন্য : ২টি করে প্রতি ৬/৮ ঘণ্টা পর পর
* বাচ্চাদের জন্য: বয়স ও ওজন অনুসারে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী
* জ্বর থাকাকালীন রোগী দিনরাত সবসময় মশারির ভিতরে থাকবে।

জ্বর থাকাকালীন নিম্নোক্ত ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে-

* ব্যথানাশক ওষুধ (এন.এস.এ.আই.ডি গ্রুপ যেমন, ডাইক্লোফেন, আইবুপ্রোফেন, ন্যাপারক্সেন, মেফেন)
* এসপিরিন/ক্রোপিডোপ্রেল (এন্টি প্লাটিলেট গ্রুপ) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
* ওয়ারফারিন (এন্টিকোয়াগুলেন্ট) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
* এন্টিবায়েটিক জাতীয় ওষুধ (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে)
* কুসুম গরম পানি বা নরমাল তাপমাত্রার পানি দ্বারা সারা শরীর মোছা (এই ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি দেয়া)
* বাড়ি ও এর আশেপাশের এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিশ্চিহ্ন করা এবং মশার আবাসস্থলে স্প্রে করা