ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকেরা শেরপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ইত্তেফাকুল উলামা’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিস্টরা থাকলে বাংলাদেশ সিকিম হয়ে যেত : বিমান পরিবহন মন্ত্রী মিল্লাত শেরপুরে ইআরটি সদস্যরা পেল সরঞ্জামাদি, ক্ষতিপূরণের চেক বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ

ধান ক্ষেতে পানি দেওয়া নিয়ে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ থেকে

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে প্রতিপক্ষের মারধরে বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছে। ৩ মে মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। আটকরা হলেন, সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলী ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মন্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, ৩ মে বাবুল মিয়ার (৪০) সাথে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথা কথা কাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাত ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ধান ক্ষেতে পানি দেওয়া নিয়ে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০১:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ থেকে

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে প্রতিপক্ষের মারধরে বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছে। ৩ মে মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। আটকরা হলেন, সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলী ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মন্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, ৩ মে বাবুল মিয়ার (৪০) সাথে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথা কথা কাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাত ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানান।