ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ধান ক্ষেতে পানি দেওয়া নিয়ে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ থেকে

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে প্রতিপক্ষের মারধরে বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছে। ৩ মে মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। আটকরা হলেন, সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলী ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মন্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, ৩ মে বাবুল মিয়ার (৪০) সাথে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথা কথা কাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাত ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ধান ক্ষেতে পানি দেওয়া নিয়ে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০১:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় আটক দুই আসামি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ থেকে

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে প্রতিপক্ষের মারধরে বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছে। ৩ মে মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। আটকরা হলেন, সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলী ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মন্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, ৩ মে বাবুল মিয়ার (৪০) সাথে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথা কথা কাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাত ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানান।