ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

বকশীগঞ্জের মুদি দোকানি হত্যার দায়ে চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মুদি দোকানি আক্কাস আলী ওরফে সাদা আক্কাস (৪৫) হত্যা মামলার রায়ে প্রধান আসামি হানিফ মিস্ত্রিসহ চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। মামলাটির বাকি পাঁচজন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জামালপুরের জ্যেষ্ঠ দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তাঁর আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত চার আসামি হলেন- বকশীগঞ্জ উপজেলার উত্তর মাঝপাড়া গ্রামের মৃত সালাম মিস্ত্রির ছেলে হানিফ মিস্ত্রি, বাচ্চু শেখের ছেলে মো. ফরিদ, একই উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ফরিদ মিয়া ও মৃত হাসেন আলীর ছেলে আহাদ আলী। বেকসুর খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- একই উপজেলার বিনোদের চর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে উসনাই মণ্ডল, মাঝপাড়া গ্রামের হানিফ মিস্ত্রির ছেলে জহুরুল হক হৃদয়, মৃত ছালামত আলীর ছেলে সামছের আলী, মৃত মহিজ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও ভুইত্যা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় গ্রামের মুদি দোকানি আক্কাস আলী ওরফে সাদা আক্কাস ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাতের খাবার শেষে বকশীগঞ্জ বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরের দিন ভোর ৬টার দিকে উপজেলার মাঝপাড়া কুটির ঘাট এলাকায় ইরি ধান ক্ষেতে আক্কাস আলীর লাশ পাওয়া যায়। আক্কাস আলীর জুয়ার নেশা ছিল। কুটির ঘাট এলাকায় হানিফ মিস্ত্রির বাড়িতে জুয়ার আসরে জুয়ারীদের সাথে টাকা-পয়সা নিয়ে প্রতিহিংসার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার পরিবার ও এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই বছরের ২ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জুয়ারি হানিফ মিস্ত্রিসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আমান উল্লাহ আকাশ ও আইনজীবী মো. তাইজুল ইসলাম।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

বকশীগঞ্জের মুদি দোকানি হত্যার দায়ে চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মুদি দোকানি আক্কাস আলী ওরফে সাদা আক্কাস (৪৫) হত্যা মামলার রায়ে প্রধান আসামি হানিফ মিস্ত্রিসহ চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। মামলাটির বাকি পাঁচজন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জামালপুরের জ্যেষ্ঠ দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তাঁর আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত চার আসামি হলেন- বকশীগঞ্জ উপজেলার উত্তর মাঝপাড়া গ্রামের মৃত সালাম মিস্ত্রির ছেলে হানিফ মিস্ত্রি, বাচ্চু শেখের ছেলে মো. ফরিদ, একই উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ফরিদ মিয়া ও মৃত হাসেন আলীর ছেলে আহাদ আলী। বেকসুর খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- একই উপজেলার বিনোদের চর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে উসনাই মণ্ডল, মাঝপাড়া গ্রামের হানিফ মিস্ত্রির ছেলে জহুরুল হক হৃদয়, মৃত ছালামত আলীর ছেলে সামছের আলী, মৃত মহিজ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও ভুইত্যা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় গ্রামের মুদি দোকানি আক্কাস আলী ওরফে সাদা আক্কাস ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাতের খাবার শেষে বকশীগঞ্জ বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরের দিন ভোর ৬টার দিকে উপজেলার মাঝপাড়া কুটির ঘাট এলাকায় ইরি ধান ক্ষেতে আক্কাস আলীর লাশ পাওয়া যায়। আক্কাস আলীর জুয়ার নেশা ছিল। কুটির ঘাট এলাকায় হানিফ মিস্ত্রির বাড়িতে জুয়ার আসরে জুয়ারীদের সাথে টাকা-পয়সা নিয়ে প্রতিহিংসার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার পরিবার ও এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই বছরের ২ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জুয়ারি হানিফ মিস্ত্রিসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আমান উল্লাহ আকাশ ও আইনজীবী মো. তাইজুল ইসলাম।