ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমে বাধা দেওয়ায় পিতা খুন?

কৃষক আজগর আলীর লাশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

কৃষক আজগর আলীর লাশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় আজগর আলী নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ অক্টোবর রাতে কোন এক সময় দুর্বৃত্তরা নিহতের বসত ঘরে ঢুকে এ ঘটনা ঘটায়। পরে ২৮ অক্টোবর ভোরে পৌর শহরের চককাউরিয়া পূর্বপাড়া এলাকা থেকে ওই বৃদ্ধ কৃষকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে মেয়ের প্রেম ঘটিত বিষয় মেনে না নেয়ায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন নিহতের স্ত্রী।

আজগরের স্ত্রী মজিরন জানায়, তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ করে। আর ছোট মেয়ে রাজিয়া খাতুন পৌর শহরের আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সম্প্রতি মোবাইল ফোনে এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে প্রায় ১৫ দিন আগে ওই ছেলে তাদের বাড়িতে আসে। এ বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি তার স্বামী। এরপর তিনদিন আগে রাজিয়াকে ঢাকায় তার বড় বোনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে প্রতিদিনের মতো তার স্বামী গোয়াল ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। ২৭ অক্টোবর রাতের কোন এক সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করে আজগর আলীকে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজনকে জানানো হয়। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

ময়না তদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার। আর এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমে বাধা দেওয়ায় পিতা খুন?

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০
কৃষক আজগর আলীর লাশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় আজগর আলী নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ অক্টোবর রাতে কোন এক সময় দুর্বৃত্তরা নিহতের বসত ঘরে ঢুকে এ ঘটনা ঘটায়। পরে ২৮ অক্টোবর ভোরে পৌর শহরের চককাউরিয়া পূর্বপাড়া এলাকা থেকে ওই বৃদ্ধ কৃষকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে মেয়ের প্রেম ঘটিত বিষয় মেনে না নেয়ায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন নিহতের স্ত্রী।

আজগরের স্ত্রী মজিরন জানায়, তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ করে। আর ছোট মেয়ে রাজিয়া খাতুন পৌর শহরের আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সম্প্রতি মোবাইল ফোনে এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে প্রায় ১৫ দিন আগে ওই ছেলে তাদের বাড়িতে আসে। এ বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি তার স্বামী। এরপর তিনদিন আগে রাজিয়াকে ঢাকায় তার বড় বোনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে প্রতিদিনের মতো তার স্বামী গোয়াল ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। ২৭ অক্টোবর রাতের কোন এক সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করে আজগর আলীকে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজনকে জানানো হয়। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

ময়না তদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার। আর এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।