জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মোটরসাইকেলচালক জিয়াউল হক হত্যা মামলার রায়ে পলাতক আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুলের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ এবং অপর দুই আসামি মনির ও বাবুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৮ অক্টোবর দুপুরে জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তার আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল ইসলামপুর উপজেলার করইতার খান বাড়ি এলাকার নবাব আলী খানের ছেলে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে মনির মেলান্দহ উপজেলা মাঝবন্ধ নাংলা এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে এবং বাবু একই উপজেলার গোবিন্দপুর নাংলা এলাকার সুলতানের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া শান্তিপাড়া এলাকার সামিউল হকের ছেলে জিয়াউল হক ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই উপজেলার করইতাইর খানবাড়ি এলাকার মাহবুবুর রহমান বুলবুল তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসবে বলে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর বিকেলে ফোন করে মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর বাজারে যেতে বলেন জিয়াউল হককে। তার কথা অনুযায়ী জিয়াউল হক মাহমুদপুর বাজারে গিয়ে মাহবুবুর রহমান বুলবুলের সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই জিয়াউল হক নিখোঁজ হন। পরের দিন ৬ অক্টোবর দুপুরে মেলান্দহ উপজেলার চাড়াইলদার পাথালিয়া গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিয়াউল হকের লাশ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।
লাশ উদ্ধারের ঘটনার দিন নিহতের স্ত্রী মোছা. বিউটি বেগম বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ নয় বছর পর আজ (১৮ অক্টোবর) মামলাটির রায় ঘোষিত হলো। রায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান বুলবুল পলাতক রয়েছেন। মামলার রায় ঘোষণার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি মনির ও বাবুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. বজলুল হক।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 


















