ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ইসলামপুরের রিকশাচালক রাসেল হত্যার দায়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার রিকশাচালক রাসেল হত্যা মামলার রায়ে সহোদর দুই আসামি ভুট্টু ও খালেককে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, সাতজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং চারজন আসামিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ভুট্টু ও খালেক ইসলামপুর উপজেলার পূর্ব শশারিয়াবাড়ী গ্রামের বুদুর ছেলে। মামলার বাকি সাতজন আসামির প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন একই গ্রামের ছামিউল, জহিজল, রশিদ, মো. কাশি, ফুলু মিয়া, বিদ্যুৎ ও বাবুল। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত মামলাটির আসামি হুচ্চু, ফেক্কু, ইয়া মণ্ডল ও সাহেব আলীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পূর্ব শশারিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত মইন উদ্দিনের ছেলে মো. রাসেল পেশায় ছিলেন রিকশাচালক। এলাকায় প্রতিবেশী বন্ধুদের সাথে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাতে খুন হন রিকশাচালক রাসেল। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ভুট্টু ও খালেকসহ অন্যান্য আসামিরা ওইদিন রাত ১০টার দিকে রাসেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে যাননি। পরের দিন ২৮ ডিসেম্বর সকালে তাদের বাড়ির কাছেই আখক্ষেত থেকে রাসেলের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত রাসেলের মা আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে প্রতিবেশী ভুট্টু ও খালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২৭ সেপ্টেম্বর জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন মামলাটির রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌশুলী পিপি নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও আইনজীবী মো. আনোয়ারুল করিম শাহজাহান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ইসলামপুরের রিকশাচালক রাসেল হত্যার দায়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:০৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার রিকশাচালক রাসেল হত্যা মামলার রায়ে সহোদর দুই আসামি ভুট্টু ও খালেককে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, সাতজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং চারজন আসামিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ভুট্টু ও খালেক ইসলামপুর উপজেলার পূর্ব শশারিয়াবাড়ী গ্রামের বুদুর ছেলে। মামলার বাকি সাতজন আসামির প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন একই গ্রামের ছামিউল, জহিজল, রশিদ, মো. কাশি, ফুলু মিয়া, বিদ্যুৎ ও বাবুল। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত মামলাটির আসামি হুচ্চু, ফেক্কু, ইয়া মণ্ডল ও সাহেব আলীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পূর্ব শশারিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত মইন উদ্দিনের ছেলে মো. রাসেল পেশায় ছিলেন রিকশাচালক। এলাকায় প্রতিবেশী বন্ধুদের সাথে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাতে খুন হন রিকশাচালক রাসেল। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ভুট্টু ও খালেকসহ অন্যান্য আসামিরা ওইদিন রাত ১০টার দিকে রাসেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে যাননি। পরের দিন ২৮ ডিসেম্বর সকালে তাদের বাড়ির কাছেই আখক্ষেত থেকে রাসেলের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত রাসেলের মা আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে প্রতিবেশী ভুট্টু ও খালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২৭ সেপ্টেম্বর জামালপুরের দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন মামলাটির রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌশুলী পিপি নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও আইনজীবী মো. আনোয়ারুল করিম শাহজাহান।