ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার মানোন্নয়নে ছাড় নয়, কঠোর অবস্থানে সরকার : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে হস্তশিল্পের সম্ভাবনায় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু ইউপি নির্বাচন : বকশীগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জলাশয় খাসপুকুরে ৩০৭ কেজি পোনা অবমুক্ত জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান

ফেসবুকের কল্যাণে জামালপুর শেখ রাসেল থেকে শিশু রাকিবকে বাবার হাতে হস্তান্তর

ফেনী থেকে পথ ভুলে চলে আসা হারিয়ে যাওয়া শিশু রাকিব হাসানকে তার বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফেনী থেকে পথ ভুলে চলে আসা হারিয়ে যাওয়া শিশু রাকিব হাসানকে তার বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

হারিয়ে যাওয়া শিশু রাকিব হাসান অবশেষে ফিরে গেলো বাবা, মায়ের কাছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে জামালপুর শেখ রাসেল প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে রাকিবের বাবার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে তুলে দেওয়া হয়।

এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও শিশু হস্তান্তর কমিটির সভাপতি, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, শেখ রাসেলের মনোবিজ্ঞানী মনির হোসেন, সমাজকর্মী আরমান আলী, উন্নয়ন সংঘের উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু প্রমুখ।

জানা যায়, কর্মক্ষেত্র থেকে খেলার ছলে নিকটস্থ ফেনী রেল স্টেশনে এসে প্লাটফরমে অপেক্ষমান ট্রেনে উঠে পড়ে শিশু রাকিব। নামার আগেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। ভোর রাতে জামালপুর স্টেশনে কান্নারত অবস্থায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ তাকে জিআরপি থানায় নিয়ে আসেন। জামালপুর জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমকে জানান। উন্নয়ন সংঘের পক্ষে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে শিশুটির সুরক্ষার জন্য তাকে শেখ রাসেল প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়।

ফেসবুকে শিশুটির সন্ধান চেয়ে আবেদন জানানো হয়। ফেসবুকের স্ট্যাটাসটি পর্যটনে বাংলাদেশ সংগঠনটির কর্ণধার আরিফ আহম্মেদ শুভর মাধ্যমে ফেনী প্রতিনিধিদের জানানো হয়। এ ব্যাপারে সংগঠনের প্রতিনিধি রাফি বিন তাজুল, চিকিৎসক এনামসহ ফেনীতে বসবাসরত একাধিক মানবিক মানুষ শিশুটির অভিভাবকের সন্ধান শুরু করেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দুইদিনের মধ্যেই হারিয়ে যাওয়া রাকিবের বাবা, মায়ের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।

রাকিবের বাবা বাবুল মিয়া বলেন, ‘পুলাডা থিরি পন্ত লেহাপড়া করছে। মাথাডা বালা না থাহায় তারে কামে দেওয়া অয়। পুলা হারায়ে গেলে আমাগো খাওয়া, ঘুম হারাম হইয়ে গেছিল। ওর মা কানতে কানতে পাগল হবার যুগার। ফেনী থানায় জিডি করা হইছে।’

২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শিশুটির বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়। রাকিবের বাবা নিম্ন আয়ের একজন মানুষ।

আপলোডকারীর তথ্য

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফেসবুকের কল্যাণে জামালপুর শেখ রাসেল থেকে শিশু রাকিবকে বাবার হাতে হস্তান্তর

আপডেট সময় ০৮:১২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০
ফেনী থেকে পথ ভুলে চলে আসা হারিয়ে যাওয়া শিশু রাকিব হাসানকে তার বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

হারিয়ে যাওয়া শিশু রাকিব হাসান অবশেষে ফিরে গেলো বাবা, মায়ের কাছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে জামালপুর শেখ রাসেল প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে রাকিবের বাবার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে তুলে দেওয়া হয়।

এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও শিশু হস্তান্তর কমিটির সভাপতি, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, শেখ রাসেলের মনোবিজ্ঞানী মনির হোসেন, সমাজকর্মী আরমান আলী, উন্নয়ন সংঘের উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু প্রমুখ।

জানা যায়, কর্মক্ষেত্র থেকে খেলার ছলে নিকটস্থ ফেনী রেল স্টেশনে এসে প্লাটফরমে অপেক্ষমান ট্রেনে উঠে পড়ে শিশু রাকিব। নামার আগেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। ভোর রাতে জামালপুর স্টেশনে কান্নারত অবস্থায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ তাকে জিআরপি থানায় নিয়ে আসেন। জামালপুর জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমকে জানান। উন্নয়ন সংঘের পক্ষে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে শিশুটির সুরক্ষার জন্য তাকে শেখ রাসেল প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়।

ফেসবুকে শিশুটির সন্ধান চেয়ে আবেদন জানানো হয়। ফেসবুকের স্ট্যাটাসটি পর্যটনে বাংলাদেশ সংগঠনটির কর্ণধার আরিফ আহম্মেদ শুভর মাধ্যমে ফেনী প্রতিনিধিদের জানানো হয়। এ ব্যাপারে সংগঠনের প্রতিনিধি রাফি বিন তাজুল, চিকিৎসক এনামসহ ফেনীতে বসবাসরত একাধিক মানবিক মানুষ শিশুটির অভিভাবকের সন্ধান শুরু করেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দুইদিনের মধ্যেই হারিয়ে যাওয়া রাকিবের বাবা, মায়ের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।

রাকিবের বাবা বাবুল মিয়া বলেন, ‘পুলাডা থিরি পন্ত লেহাপড়া করছে। মাথাডা বালা না থাহায় তারে কামে দেওয়া অয়। পুলা হারায়ে গেলে আমাগো খাওয়া, ঘুম হারাম হইয়ে গেছিল। ওর মা কানতে কানতে পাগল হবার যুগার। ফেনী থানায় জিডি করা হইছে।’

২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শিশুটির বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়। রাকিবের বাবা নিম্ন আয়ের একজন মানুষ।