ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে তিন শিশুসহ চারজনের মৃত্যু

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার পানিতে ডুবে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভেলায় করে খেলতে গিয়ে ওই দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হয়েছে আরো এক শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ জুলাই দুপুর ২টার দিকে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর পূর্বপাড়া গ্রামে। অপরদিকে একইদিন মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামে পানিতে ডুবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ জুলাই দুপুরে সূর্যনগর পূর্ব পাড়া গ্রামের শাহীন মিয়ার শিশু কন্যা সুজুনী আক্তার (১১), একই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের কন্যা সাথী আক্তার (৮) ও মাসুদ মিয়ার কন্যা মৌসুমী আক্তার (৮) বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভেলায় করে খেলতে যায়। ভেলায় খেলতে খেলতে হঠাৎ তারা ভেলাটি উল্টে পানিতে পড়ে গেলে ডুবে সুজুনী আক্তার ও সাথী আক্তার মারা যায়। এ সময় পানিতে হাবুডুবু খেয়ে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন মৌসুমী আক্তার। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মৌসুমীকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

অপরদিকে মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামের আবদুল শেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। ২১ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে তিনি তার ঘরের পেছনে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার লাশ পানিতে ভেসে উঠে। এছাড়াও দুপুর ২টায় সাধুরপাড়া ইউনিয়নে কুতুবেরচর গ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ইয়াছিন মিয়ার ছেলে স্বাধীন মিয়া (৪) নামে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ যে, এবারের ভয়াবহ বন্যায় বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানিতে ডুবে শিশু, বৃদ্ধ, কিশোরসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও সাপের দংশনে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বকশীগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে তিন শিশুসহ চারজনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:২১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার পানিতে ডুবে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভেলায় করে খেলতে গিয়ে ওই দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হয়েছে আরো এক শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ জুলাই দুপুর ২টার দিকে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর পূর্বপাড়া গ্রামে। অপরদিকে একইদিন মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামে পানিতে ডুবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ জুলাই দুপুরে সূর্যনগর পূর্ব পাড়া গ্রামের শাহীন মিয়ার শিশু কন্যা সুজুনী আক্তার (১১), একই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের কন্যা সাথী আক্তার (৮) ও মাসুদ মিয়ার কন্যা মৌসুমী আক্তার (৮) বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভেলায় করে খেলতে যায়। ভেলায় খেলতে খেলতে হঠাৎ তারা ভেলাটি উল্টে পানিতে পড়ে গেলে ডুবে সুজুনী আক্তার ও সাথী আক্তার মারা যায়। এ সময় পানিতে হাবুডুবু খেয়ে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন মৌসুমী আক্তার। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মৌসুমীকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

অপরদিকে মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামের আবদুল শেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। ২১ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে তিনি তার ঘরের পেছনে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার লাশ পানিতে ভেসে উঠে। এছাড়াও দুপুর ২টায় সাধুরপাড়া ইউনিয়নে কুতুবেরচর গ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ইয়াছিন মিয়ার ছেলে স্বাধীন মিয়া (৪) নামে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ যে, এবারের ভয়াবহ বন্যায় বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানিতে ডুবে শিশু, বৃদ্ধ, কিশোরসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও সাপের দংশনে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে।