ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখে এই চাল রপ্তানি করা হবে।

৩০ মে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ধানের কম বাজার মূল্যের বিষয়ে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখেই এই ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানি করা হবে। পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য চাল আমদানী নিরুৎসাহিত করা এবং চাল রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।’

শ্রমিক সংকট নিরসনে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক সংকট নিরসনে যান্ত্রিকীকরণে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বিগত অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট বাবদ বরাদ্দকৃত ভর্তুকি খাতের তিন হাজার কোটি টাকা যান্ত্রিকীকরণ খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ মোতাবেক খসড়া প্রকল্প প্রণয়নও করা হয়েছে।’

চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে। ভবিষ্যতে ধানের ক্রয়মূল্য আগেই নির্ধারণ ও চাষিদের তালিকা করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। এ লক্ষ্যে গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী জানান, ধানসহ কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে চাষিদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে ফসলের ক্রয়মূল্য অগ্রিম নির্ধারণ করা এবং মৌসুমের শুরুতেই সরাসরি কৃষক পর্যায় থেকে ধান সংগ্রহসহ এমন বেশকিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে।

এছাড়াও ধানের ন্যায্যমূল্য দিতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসাবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় এবং চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নন-ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য উপকরণে প্রণোদনা বৃদ্ধি, সেচের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং এক্ষেত্রে প্রয়োজনে প্রণোদনা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জমান উপস্থিত ছিলেন।সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০১৯
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখে এই চাল রপ্তানি করা হবে।

৩০ মে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ধানের কম বাজার মূল্যের বিষয়ে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখেই এই ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানি করা হবে। পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য চাল আমদানী নিরুৎসাহিত করা এবং চাল রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।’

শ্রমিক সংকট নিরসনে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক সংকট নিরসনে যান্ত্রিকীকরণে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বিগত অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট বাবদ বরাদ্দকৃত ভর্তুকি খাতের তিন হাজার কোটি টাকা যান্ত্রিকীকরণ খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ মোতাবেক খসড়া প্রকল্প প্রণয়নও করা হয়েছে।’

চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে। ভবিষ্যতে ধানের ক্রয়মূল্য আগেই নির্ধারণ ও চাষিদের তালিকা করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। এ লক্ষ্যে গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী জানান, ধানসহ কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে চাষিদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে ফসলের ক্রয়মূল্য অগ্রিম নির্ধারণ করা এবং মৌসুমের শুরুতেই সরাসরি কৃষক পর্যায় থেকে ধান সংগ্রহসহ এমন বেশকিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে।

এছাড়াও ধানের ন্যায্যমূল্য দিতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসাবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় এবং চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নন-ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য উপকরণে প্রণোদনা বৃদ্ধি, সেচের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং এক্ষেত্রে প্রয়োজনে প্রণোদনা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জমান উপস্থিত ছিলেন।সূত্র : বাসস