ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পানি জমে মরে গেছে জামালপুরে হর্টিকালচার সেন্টারের ১৩৭টি মাতৃ লিচু গাছ শরিফপুরে ত্রিশ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন দুই নেতা টিএসপিতে অসামান্য অবদানে মিজানুর রহমানকে সংবর্ধনা জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি হলেন এমপি মামুন, তরিকুল সম্পাদক দেওয়ানগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ হাইড্রোলিক পাম্পে উঁচু হল দেবে যাওয়া ইসলামপুরের আগারী সেতু মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত আবদুল্লাহ আল-হারুন : জার্মানিতে বাসরত বহুমুখী প্রতিভাধর বাংলাভাষী লেখক সড়ক সংস্কার করে দিলেন ফাহাদ হোসেন

বকশীগঞ্জে দুই ছাত্রলীগ নেতার নামে চাঁদাবাজির মামলা

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দুই ছাত্রলীগ নেতার নামে চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। ১৩ মে সন্ধ্যায় বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন বকশীগঞ্জ সরকারি কেয়ামত উল্লাহ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ রেজা ও সাধারণ সম্পাদক আদনান আকাশ। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে ওই অধ্যক্ষকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ রেজা ও অন্যান্যরা অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলীর নিকট বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিল বলে অভিযোগ করেন ইদ্রিস আলী। এক পর্যায়ে ১৩ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন।

তবে উপজেলা ছাত্রলীগ ও কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলীকে বিএনপি-জামাতের এজেন্ট বলে দাবি করে আসছিল। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন।

তারা জানান, বিতর্কিত অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী সম্প্রতি সজিব ওয়াজেদ জয় পরিষদের একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। ওই ব্যানারে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি থাকায় ক্ষুব্দ হয় ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। এ নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দেন। এ ঘটনার জের ধরেই মামলাটি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ নেতাদের নামে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বলেন , বিষয়টি বহুদুর এগিয়েছে। এই মূহর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। থানায় যোগাযোগ করুন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহবুব আলম জানান, দুইজনের নামে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বকশীগঞ্জে দুই ছাত্রলীগ নেতার নামে চাঁদাবাজির মামলা

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০১৯

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দুই ছাত্রলীগ নেতার নামে চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। ১৩ মে সন্ধ্যায় বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন বকশীগঞ্জ সরকারি কেয়ামত উল্লাহ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ রেজা ও সাধারণ সম্পাদক আদনান আকাশ। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে ওই অধ্যক্ষকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ রেজা ও অন্যান্যরা অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলীর নিকট বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিল বলে অভিযোগ করেন ইদ্রিস আলী। এক পর্যায়ে ১৩ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন।

তবে উপজেলা ছাত্রলীগ ও কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলীকে বিএনপি-জামাতের এজেন্ট বলে দাবি করে আসছিল। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন।

তারা জানান, বিতর্কিত অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী সম্প্রতি সজিব ওয়াজেদ জয় পরিষদের একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। ওই ব্যানারে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি থাকায় ক্ষুব্দ হয় ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। এ নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দেন। এ ঘটনার জের ধরেই মামলাটি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ নেতাদের নামে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বলেন , বিষয়টি বহুদুর এগিয়েছে। এই মূহর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। থানায় যোগাযোগ করুন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহবুব আলম জানান, দুইজনের নামে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।