ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন : উপদেষ্টা ডা. জাহেদ জামালপুরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কনসালটেশন সেসন অনুষ্ঠিত

জামালপুুরে ১২১ মেধাবী শিক্ষার্থী পেল জেলা পরিষদের শিক্ষাবৃত্তি

মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির টাকার চেক তুলে দেন সংসদ সদস্য মির্জা আজম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির টাকার চেক তুলে দেন সংসদ সদস্য মির্জা আজম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ১২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল দুপুরে এ উপলক্ষে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তির টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মির্জা আজম। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ১০ বছর আগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য বৃত্তি দেওয়া হতো। দশ বছর পরে আজ কিন্তু দরিদ্র শব্দটা মুছে গেছে। সরকার এখন মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ বৃত্তি দিয়ে আসছে।’ তিনি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে ‘না’ বলে পড়ালেখা শেষ করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা হাকিম মো. শফিকুল ইসলাম, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হারুন অর রশিদ, জেলা পরিষদ সদস্য মো. দৌলতুজ জামান ও মো. মো. আসলাম হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা ও জি এস মিজানুর রহমান, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সফিক সালেহ গেন্দা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র মো. রবিউল হাসান প্রমুখ।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মির্জা আজম অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে জনপ্রতি ৭ হাজার টাকা হারে বৃত্তির চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত জামালপুর জেলার মেধাবী ১২১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে চলতি বছরের শিক্ষাবৃত্তির টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৮১ জন ছাত্র ও ৪০ জন ছাত্রী এই শিক্ষা বৃত্তি পেয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জামালপুুরে ১২১ মেধাবী শিক্ষার্থী পেল জেলা পরিষদের শিক্ষাবৃত্তি

আপডেট সময় ০৮:৫৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৯
মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির টাকার চেক তুলে দেন সংসদ সদস্য মির্জা আজম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ১২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল দুপুরে এ উপলক্ষে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তির টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মির্জা আজম। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ১০ বছর আগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য বৃত্তি দেওয়া হতো। দশ বছর পরে আজ কিন্তু দরিদ্র শব্দটা মুছে গেছে। সরকার এখন মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ বৃত্তি দিয়ে আসছে।’ তিনি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে ‘না’ বলে পড়ালেখা শেষ করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা হাকিম মো. শফিকুল ইসলাম, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হারুন অর রশিদ, জেলা পরিষদ সদস্য মো. দৌলতুজ জামান ও মো. মো. আসলাম হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা ও জি এস মিজানুর রহমান, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সফিক সালেহ গেন্দা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র মো. রবিউল হাসান প্রমুখ।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মির্জা আজম অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে জনপ্রতি ৭ হাজার টাকা হারে বৃত্তির চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত জামালপুর জেলার মেধাবী ১২১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে চলতি বছরের শিক্ষাবৃত্তির টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৮১ জন ছাত্র ও ৪০ জন ছাত্রী এই শিক্ষা বৃত্তি পেয়েছে।