ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মির্জা ফখরুলসহ ১৫ জন পাচ্ছেন ‘আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০২৬’ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মাদারগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। ২১ জুলাই বিকেলে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানাবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাইদুর রহমান উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের চরগোলাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। ২২ জুলাই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী মো. সাইদুর রহমান গত ২২ জুন রাত তিনটায় উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের খোকা ম-লের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র হাশেম মিয়ার (১৫) সাথে একই গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শারমিন আক্তারের (১৩) বিয়ে নিবন্ধন করান। কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়িতে দু’পক্ষের উপস্থিতিতে এ বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

বাল্যবিয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে জোড়খালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কুকুরমারি এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুলাই সকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় ২০১৭ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৮, ৯ ও ১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কাজী মো. সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং বরের বাবা-মা, কনের নানা, বর ও কনের উকিল, বিয়ে পড়ানোর মৌলভী, বিয়ের দু’পক্ষের সাক্ষীসহ ১০ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর ২১ জুলাই বিকেলে মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। অভিযানের এক পর্যায়ে ২১ জুলাই সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়ি থেকে প্রধান আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলামত হিসেবে তার কাছ থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বই জব্দ করা হয়েছে। ২২ জুলাই ওই কাজীকে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যিক নন, সমাজ ও সভ্যতার গভীর পর্যবেক্ষক ছিলেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

মাদারগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। ২১ জুলাই বিকেলে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানাবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাইদুর রহমান উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের চরগোলাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। ২২ জুলাই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী মো. সাইদুর রহমান গত ২২ জুন রাত তিনটায় উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের খোকা ম-লের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র হাশেম মিয়ার (১৫) সাথে একই গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শারমিন আক্তারের (১৩) বিয়ে নিবন্ধন করান। কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়িতে দু’পক্ষের উপস্থিতিতে এ বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

বাল্যবিয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে জোড়খালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কুকুরমারি এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুলাই সকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় ২০১৭ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৮, ৯ ও ১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কাজী মো. সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং বরের বাবা-মা, কনের নানা, বর ও কনের উকিল, বিয়ে পড়ানোর মৌলভী, বিয়ের দু’পক্ষের সাক্ষীসহ ১০ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর ২১ জুলাই বিকেলে মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। অভিযানের এক পর্যায়ে ২১ জুলাই সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়ি থেকে প্রধান আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলামত হিসেবে তার কাছ থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বই জব্দ করা হয়েছে। ২২ জুলাই ওই কাজীকে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’