ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জামালপুর : নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্যের জামালপুর জেলা কার্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় জামালপুর জেলা প্রশাসন এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম,  জেলা সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা এনামুল হক, বাংলারচিঠিডটকম সম্পাদক ও ক্যাব সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, সাধারণ সম্পাদক মুকুল রানাসহ  জেলার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকেরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, নন ফুডগ্রেড রঙযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এতে রাসায়নিক রঙ, যা শিল্প কারখানায় কাপড়, চামড়া, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বস্তু রঙ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। খাবারে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা যাবে না। অতিরিক্ত লবণ রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র রমজানে খাদ্যের নিরাপদ সম্পর্কে খাদ্য ব্যবসায়ীদের খোলা ও নোংরা পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি ও পরিবেশন করা যাবে না। বাসি বা পঁচা খাদ্যোপকরণ দিয়ে ইফতার সামগ্রী তৈরি করা যাবে না। খবরের কাগজ বা কালিযুক্ত কাগজের তৈরি মোড়ক ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, পোড়া তেল ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে যা স্ট্রোক ও হৃদরোগের সৃষ্টি করে তাই একই তেলে বারবার খাবার ভাজা যাবে না। পরবর্তীতে এ সকল দিকনির্দেশনা কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অমান্য করলে ওই প্রতিষ্ঠানকে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ জরিমানাসহ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সেমিনারে খাদ্য নিরাপদ রাখতে পাঁচটি চাবিকাঠি উল্লেখ করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কাঁচা খাবার, রান্না খাবার পৃথক রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় খাবার রান্না করা, সঠিক তাপমাত্রায় খাবার সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ পানি ও খাদ্য সামগ্রী ব্যবহার করতে পারলে প্রতিটি মানুষ সুস্থ থাকবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্যের জামালপুর জেলা কার্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় জামালপুর জেলা প্রশাসন এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম,  জেলা সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা এনামুল হক, বাংলারচিঠিডটকম সম্পাদক ও ক্যাব সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, সাধারণ সম্পাদক মুকুল রানাসহ  জেলার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকেরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, নন ফুডগ্রেড রঙযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এতে রাসায়নিক রঙ, যা শিল্প কারখানায় কাপড়, চামড়া, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বস্তু রঙ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। খাবারে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা যাবে না। অতিরিক্ত লবণ রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র রমজানে খাদ্যের নিরাপদ সম্পর্কে খাদ্য ব্যবসায়ীদের খোলা ও নোংরা পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি ও পরিবেশন করা যাবে না। বাসি বা পঁচা খাদ্যোপকরণ দিয়ে ইফতার সামগ্রী তৈরি করা যাবে না। খবরের কাগজ বা কালিযুক্ত কাগজের তৈরি মোড়ক ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, পোড়া তেল ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে যা স্ট্রোক ও হৃদরোগের সৃষ্টি করে তাই একই তেলে বারবার খাবার ভাজা যাবে না। পরবর্তীতে এ সকল দিকনির্দেশনা কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অমান্য করলে ওই প্রতিষ্ঠানকে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ জরিমানাসহ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সেমিনারে খাদ্য নিরাপদ রাখতে পাঁচটি চাবিকাঠি উল্লেখ করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কাঁচা খাবার, রান্না খাবার পৃথক রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় খাবার রান্না করা, সঠিক তাপমাত্রায় খাবার সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ পানি ও খাদ্য সামগ্রী ব্যবহার করতে পারলে প্রতিটি মানুষ সুস্থ থাকবে।