জামালপুরে কৃষি উপকরণ ও বীজ বিপণনকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘সহায়ক জেন্ডার নর্মস বা প্রথা’ বা জেন্ডার সংবেদনশীলতা অভিযোজন বিষয়ক একটি ফলো-আপ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।২২ জানুয়ারি, বুধবার সকালে জামালপুর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়ায় আশার আলো ট্রেনিং সেন্টারে এই সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেসমিন প্রকল্পের কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. পরিমল সরকার। অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় এবং অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রাম (ANCP)-এর অর্থায়নে উন্নয়ন সংঘ ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে বাস্তবায়িত ‘জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (জেসমিন)’ প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে।
সভায় কৃষি ব্যবসায় জড়িত বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হায়কেম বাংলাদেশ, এসিআই সিডস, পেট্রোকেম (বাংলাদেশ) লিমিটেড, এ. আর. মালিক সিডস এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট, তরঙ্গ মহিলা কল্যাণ সংস্থা ও ব্র্যাক-এর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।
এ সময় এ. আর. মালিক সিডসের প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম বলেন, আমার মনে হয় আমাদের উপজেলা পর্যায়ে নারী কর্মী নিয়োগ দেওয়া সম্ভব। নারীরা অন্য নারীদের সাথে আরও কার্যকরভাবে কথা বলতে এবং তাদের প্রভাবিত করতে পারেন। বর্তমানে আমাদের কৃষক দলগুলোতে শুধু পুরুষরাই আছেন, এখন থেকে আমরা নারীদেরও সম্পৃক্ত করব।
অন্যদিকে, মাঠ পর্যায়ে নারীদের কাজের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে পেট্রোকেম (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে নারী সেলস এজেন্টদের নিয়ে কাজ করা কিছুটা কঠিন। তবে আমরা অন্য সকল ক্ষেত্রে নারীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করব। এই ধরনের সহায়তার জন্য আমরা জেসমিন প্রজেক্টকে ধন্যবাদ জানাই।”
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধকার কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. পরিমল সরকার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস বা অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজার ব্যবস্থা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সভায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের ‘মেন কেয়ার অ্যাপ্রোচ’ এবং বেসরকারি খাতের জন্য তৈরি ‘নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন (WEE)’ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে বলেন আমরা গুরুত্বের সাথে নিজে এবং বিষয়টি যাদের জন্য প্রযোজ্য তাদেরকে যেন উপলব্ধি করাতে পারি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 



















