ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলায় ৭ গুদামে আগুন, প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি

চন্দ্রকোনা বাজারে আগুন লাগার পর ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে থাকে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

চন্দ্রকোনা বাজারে আগুন লাগার পর ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে থাকে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারে ২২ ফেব্রুয়ারি ভোরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি বৃহৎ গুদামঘরসহ বিপুল পরিমাণ পাট, ধান, সরিষা, মাস কলাই পুড়ে গেছে। এতে অন্তত কোটি টাকা মূল্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গুদামের সাথে বিদ্যুতের লাইনে শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন প্রথমে চন্দ্রকোনা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের পাটের গুদামে লাগে। আগুন মূহুর্তেই ওই পাটের গুদাম ছাড়িয়ে পাশের ব্যবসায়ী রিপন ও শাজাহান মিয়ার ধান, সরিষা ও মাসকলাইয়ের গুদামে ছড়িয়ে পড়ে।

বাজারের শতশত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে থাকে। এক পর্যায়ে শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল গিয়ে যৌথভাবে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শেরপুরের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র দেবনাথ জানান, আগুনের সূত্রপাত তদন্ত স্বাপেক্ষে বলা যাবে। আমরা খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট নিয়ে দ্রুত চলে যাই ঘটনাস্থলে। দীর্ঘক্ষণ প্রচেষ্ঠার ফলে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় ৭ গুদামে আগুন, প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় ০৬:০৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
চন্দ্রকোনা বাজারে আগুন লাগার পর ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে থাকে। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারে ২২ ফেব্রুয়ারি ভোরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি বৃহৎ গুদামঘরসহ বিপুল পরিমাণ পাট, ধান, সরিষা, মাস কলাই পুড়ে গেছে। এতে অন্তত কোটি টাকা মূল্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গুদামের সাথে বিদ্যুতের লাইনে শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন প্রথমে চন্দ্রকোনা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের পাটের গুদামে লাগে। আগুন মূহুর্তেই ওই পাটের গুদাম ছাড়িয়ে পাশের ব্যবসায়ী রিপন ও শাজাহান মিয়ার ধান, সরিষা ও মাসকলাইয়ের গুদামে ছড়িয়ে পড়ে।

বাজারের শতশত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে থাকে। এক পর্যায়ে শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল গিয়ে যৌথভাবে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শেরপুরের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র দেবনাথ জানান, আগুনের সূত্রপাত তদন্ত স্বাপেক্ষে বলা যাবে। আমরা খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট নিয়ে দ্রুত চলে যাই ঘটনাস্থলে। দীর্ঘক্ষণ প্রচেষ্ঠার ফলে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।