ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

ফুকুশিমার দূষিত মাটি দেখতে জাপানে জাতিসংঘের পরমাণু প্রধান

২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ে দূষিত বিপুল পরিমাণ মাটির সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করতে জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জাপান পৌঁছেছেন।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসির এটি পঞ্চম সফর।

জাতিসংঘ সংস্থাটি ফুকুশিমা দাইচি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার কয়েক দশক ধরে চলমান প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ে সুনামির আঘাতে ভেঙ্গে পড়ে।

টোকিও থেকে এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকরা গত সপ্তাহে কয়েক টন তেজস্ক্রিয় ধ্বংসাবশেষ রাখার জন্য জায়গা খালি করতে বর্জ্য জলের ট্যাঙ্কগুলো ভেঙ্গে ফেলা শুরু করেছে।

বুধবার গ্রোসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং তাকে মাটির সংরক্ষণাগার দেখানো হবে। জাপান কর্তৃপক্ষ কীভাবে এসব ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করবে তিনি তা নির্ধারণ করে দিবেন।

দুর্যোগের পর জীবানুমুক্তকরণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বৃহত্তর ফুকুশিমা অঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ ঘনমিটার মাটি অপসারণ করা হয়েছিল এবং জৈব পদার্থ পোড়ানোর ফলে ৩ লক্ষ ঘনমিটার ছাই অপসারণ করা হয়েছিল।

মাটিগুলো মোট ১৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অন্তর্বর্তীকালীন সংরক্ষণাগারে রাখা হচ্ছে।

মাটির যেসব অংশে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা কম পাওয়া গেছে জাপান সেই মাটির ৭৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। যদি তা নিরাপদ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তাহলে এটিকে রাস্তা ও রেলপথের জন্য বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি অন্যান্য প্রকল্পেও ব্যবহার করা যাবে।

অবশিষ্ট মাটি ২০৪৫ সালের আগেই ফুকুশিমা অঞ্চলের বাইরে ফেলা হবে।

জাপান সরকার জানিয়েছে, তারা এই বছরই বর্জ্য অপসারণের স্থানটি নিশ্চিত করবে এবং ফুকুশিমার আঞ্চলিক গভর্নর দ্রুত একটি পরিকল্পনা তৈরির জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

ফুকুশিমার দূষিত মাটি দেখতে জাপানে জাতিসংঘের পরমাণু প্রধান

আপডেট সময় ০৮:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ে দূষিত বিপুল পরিমাণ মাটির সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করতে জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জাপান পৌঁছেছেন।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসির এটি পঞ্চম সফর।

জাতিসংঘ সংস্থাটি ফুকুশিমা দাইচি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার কয়েক দশক ধরে চলমান প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ে সুনামির আঘাতে ভেঙ্গে পড়ে।

টোকিও থেকে এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকরা গত সপ্তাহে কয়েক টন তেজস্ক্রিয় ধ্বংসাবশেষ রাখার জন্য জায়গা খালি করতে বর্জ্য জলের ট্যাঙ্কগুলো ভেঙ্গে ফেলা শুরু করেছে।

বুধবার গ্রোসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং তাকে মাটির সংরক্ষণাগার দেখানো হবে। জাপান কর্তৃপক্ষ কীভাবে এসব ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করবে তিনি তা নির্ধারণ করে দিবেন।

দুর্যোগের পর জীবানুমুক্তকরণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বৃহত্তর ফুকুশিমা অঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ ঘনমিটার মাটি অপসারণ করা হয়েছিল এবং জৈব পদার্থ পোড়ানোর ফলে ৩ লক্ষ ঘনমিটার ছাই অপসারণ করা হয়েছিল।

মাটিগুলো মোট ১৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অন্তর্বর্তীকালীন সংরক্ষণাগারে রাখা হচ্ছে।

মাটির যেসব অংশে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা কম পাওয়া গেছে জাপান সেই মাটির ৭৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। যদি তা নিরাপদ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তাহলে এটিকে রাস্তা ও রেলপথের জন্য বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি অন্যান্য প্রকল্পেও ব্যবহার করা যাবে।

অবশিষ্ট মাটি ২০৪৫ সালের আগেই ফুকুশিমা অঞ্চলের বাইরে ফেলা হবে।

জাপান সরকার জানিয়েছে, তারা এই বছরই বর্জ্য অপসারণের স্থানটি নিশ্চিত করবে এবং ফুকুশিমার আঞ্চলিক গভর্নর দ্রুত একটি পরিকল্পনা তৈরির জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে।