ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

পিলখানা ট্র্যাজেডি : চাকরিতে পুনর্বহাল ও পুনর্তদন্ত চায় ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্যরা

স্মারকলিপি পেশ করেন চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্যরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

স্মারকলিপি পেশ করেন চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্যরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

পিলখানা ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পুনরায় তদন্ত, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের বিচার ও চাকরিচ্যূতদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করছে ভুক্তভোগী বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবার।

২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে শহরের ফৌজদারী মোড় এলাকায় জামালপুর ও শেরপুর জেলার ক্ষতিগ্রস্ত সকল বিডিআর সদস্যের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্য ও তাদের স্বজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিপাহি নাসরুল করিম, সাবেক সিপাহি রফিকুল ইসলাম, সাবেক ল্যাস নায়েক মো. আবুল হোসেন, লাইজু আক্তার, মুনজুআরা, চাঁদ সুলতানা রাণী প্রমুখ।

চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্যদের পরিবারের স্বজনদের আকুতি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বক্তারা বলেন, সদস্য ক্ষমতাচ্যূত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে ও বিডিআরকে অচল করে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে চৌকস ৫৪ জন অফিসার ও ১৭ জন বিডিআর জওয়ানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর এটির নাম দেওয়া হয় বিডিআর বিদ্রোহ। যারা প্রতিবাদ করেছেন তাদেরকে চাকরিচ্যূত করেছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার। অন্যায়ভাবে বিচারের প্রহসন করে ১৮ হাজার ৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যূত করে শাস্তিও দেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় তদন্ত করা প্রয়োজন। ওই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ চাকরিচ্যূতদের পুনরায় চাকরিতে বহাল করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. শফিউর রহমানের মাধ্যমে চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্য ও তাদের স্বজনেরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূছ বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

পিলখানা ট্র্যাজেডি : চাকরিতে পুনর্বহাল ও পুনর্তদন্ত চায় ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্যরা

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
স্মারকলিপি পেশ করেন চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্যরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মো. আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

পিলখানা ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পুনরায় তদন্ত, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের বিচার ও চাকরিচ্যূতদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করছে ভুক্তভোগী বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবার।

২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে শহরের ফৌজদারী মোড় এলাকায় জামালপুর ও শেরপুর জেলার ক্ষতিগ্রস্ত সকল বিডিআর সদস্যের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্য ও তাদের স্বজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিপাহি নাসরুল করিম, সাবেক সিপাহি রফিকুল ইসলাম, সাবেক ল্যাস নায়েক মো. আবুল হোসেন, লাইজু আক্তার, মুনজুআরা, চাঁদ সুলতানা রাণী প্রমুখ।

চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্যদের পরিবারের স্বজনদের আকুতি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বক্তারা বলেন, সদস্য ক্ষমতাচ্যূত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে ও বিডিআরকে অচল করে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে চৌকস ৫৪ জন অফিসার ও ১৭ জন বিডিআর জওয়ানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর এটির নাম দেওয়া হয় বিডিআর বিদ্রোহ। যারা প্রতিবাদ করেছেন তাদেরকে চাকরিচ্যূত করেছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার। অন্যায়ভাবে বিচারের প্রহসন করে ১৮ হাজার ৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যূত করে শাস্তিও দেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় তদন্ত করা প্রয়োজন। ওই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ চাকরিচ্যূতদের পুনরায় চাকরিতে বহাল করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. শফিউর রহমানের মাধ্যমে চাকরিচ্যূত বিডিআর সদস্য ও তাদের স্বজনেরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূছ বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেন।