ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

শিক্ষক হুমায়ূন কবীরের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

    প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রখ্যাত সাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্পের ওপর গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। ২৩ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট অধিবেশনে তাকে এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কোনামালঞ্চ গ্রামে।

সম্প্রতি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসোইনের তত্ত্বাবধানে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করেন।

মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার কোনামালঞ্চ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস এবং মা উম্মে হাবীবা মোসাম্মৎ গুলে লায়লা। তিনি হাজরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে মাধ্যমিক এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০০ সালে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে মাস্টার্স অব ফিলোসফি (এমফিল) কোর্সে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় এমফিল কোর্সটি পিএইচডি কোর্সে রূপান্তরিত হয়। ওই বছরই তিনি কর্মস্থল পরিবর্তন করে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

পরে গত বছর ডিসেম্বরে গবেষণাপত্রটি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য জমা দেন। এরপর বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করে।

 

সূত্র : রাজনীতিডটকম

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষক হুমায়ূন কবীরের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

আপডেট সময় ০৫:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
    প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রখ্যাত সাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্পের ওপর গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। ২৩ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট অধিবেশনে তাকে এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কোনামালঞ্চ গ্রামে।

সম্প্রতি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসোইনের তত্ত্বাবধানে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করেন।

মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার কোনামালঞ্চ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস এবং মা উম্মে হাবীবা মোসাম্মৎ গুলে লায়লা। তিনি হাজরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে মাধ্যমিক এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০০ সালে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে মাস্টার্স অব ফিলোসফি (এমফিল) কোর্সে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় এমফিল কোর্সটি পিএইচডি কোর্সে রূপান্তরিত হয়। ওই বছরই তিনি কর্মস্থল পরিবর্তন করে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

পরে গত বছর ডিসেম্বরে গবেষণাপত্রটি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য জমা দেন। এরপর বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করে।

 

সূত্র : রাজনীতিডটকম