ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য আমি এ পর্যন্ত এসেছি : ড. নিলোফার এমপি জাতীয় ঐকমত্য ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেবেন না : পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে মির্জা ফখরুল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে হাসি ফুটলো ১২৯৫ পরিবারে কৃষিপণ্য উৎপাদন বিপণনে প্ল্যাটফর্ম গঠন পরিচালনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ১৭ মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস : সচেতনতা ও প্রতিরোধ এবং একজন ডা. জাকির হোসেন মাদারগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১১০ কোটি টাকার গবাদিপশু  সরিষাবাড়ীতে চড়ক পূজা, জমজমাট মেলা, উপচে পড়া ভিড় নবাঙ্কুরের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

শিক্ষক হুমায়ূন কবীরের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

    প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রখ্যাত সাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্পের ওপর গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। ২৩ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট অধিবেশনে তাকে এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কোনামালঞ্চ গ্রামে।

সম্প্রতি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসোইনের তত্ত্বাবধানে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করেন।

মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার কোনামালঞ্চ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস এবং মা উম্মে হাবীবা মোসাম্মৎ গুলে লায়লা। তিনি হাজরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে মাধ্যমিক এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০০ সালে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে মাস্টার্স অব ফিলোসফি (এমফিল) কোর্সে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় এমফিল কোর্সটি পিএইচডি কোর্সে রূপান্তরিত হয়। ওই বছরই তিনি কর্মস্থল পরিবর্তন করে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

পরে গত বছর ডিসেম্বরে গবেষণাপত্রটি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য জমা দেন। এরপর বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করে।

 

সূত্র : রাজনীতিডটকম

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষক হুমায়ূন কবীরের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

আপডেট সময় ০৫:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
    প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রখ্যাত সাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্পের ওপর গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রভাষক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। ২৩ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট অধিবেশনে তাকে এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কোনামালঞ্চ গ্রামে।

সম্প্রতি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসোইনের তত্ত্বাবধানে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করেন।

মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার কোনামালঞ্চ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস এবং মা উম্মে হাবীবা মোসাম্মৎ গুলে লায়লা। তিনি হাজরাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে মাধ্যমিক এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০০ সালে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ‘মঈনুল আহসান সাবেরের ছোটগল্প : বিষয় ও শিল্পরূপ’ শিরোনামে মাস্টার্স অব ফিলোসফি (এমফিল) কোর্সে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় এমফিল কোর্সটি পিএইচডি কোর্সে রূপান্তরিত হয়। ওই বছরই তিনি কর্মস্থল পরিবর্তন করে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

পরে গত বছর ডিসেম্বরে গবেষণাপত্রটি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য জমা দেন। এরপর বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করে।

 

সূত্র : রাজনীতিডটকম