ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

তীব্র গরমে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে গেল দেওয়ানগঞ্জের ৩ শিক্ষার্থী

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তীব্র গরমে তিন শিক্ষার্থীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ক্লিনিকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ মে দুপুরের দিকে উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দীপশিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তারা হলো সপ্তম শ্রেণির সাথী আক্তার ও অষ্টম শ্রেণির শাহিদা আক্তার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ গরম একটু বেশি পড়েছিল, বিদ্যুৎ না থাকায় ক্লাসেই দুই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদেরকে ইউনিয়ন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

অপরদিকে আনন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র দুপুর ১২টার দিকে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সাথে সাথে ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, সেই বিদ্যালয়ের রুমে কোন বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার সজল চন্দ্র ভদ্র এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বিদ্যালয় প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছি।

এই ঘটনায় অভিভাবকরা ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন ।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে এই দুই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অজ্ঞান হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়ি ফিরে যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের

তীব্র গরমে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে গেল দেওয়ানগঞ্জের ৩ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৫:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তীব্র গরমে তিন শিক্ষার্থীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ক্লিনিকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ মে দুপুরের দিকে উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দীপশিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তারা হলো সপ্তম শ্রেণির সাথী আক্তার ও অষ্টম শ্রেণির শাহিদা আক্তার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ গরম একটু বেশি পড়েছিল, বিদ্যুৎ না থাকায় ক্লাসেই দুই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদেরকে ইউনিয়ন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

অপরদিকে আনন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র দুপুর ১২টার দিকে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সাথে সাথে ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, সেই বিদ্যালয়ের রুমে কোন বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার সজল চন্দ্র ভদ্র এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বিদ্যালয় প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছি।

এই ঘটনায় অভিভাবকরা ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন ।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে এই দুই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অজ্ঞান হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়ি ফিরে যায়।