ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য ছয় সদস্যের একটি ‘সার্চ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যা পরবর্তী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান অনুসন্ধান কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

এই সার্চ কমিটি পরবর্তী ইসি পুনর্গঠনে সরকারকে সহায়তা করবে। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

কমিটিকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২’ শিরোনামের নতুন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে একটি ইসি গঠন আইনে বিলে স্বাক্ষর করেন, যা এর আগে জাতীয় সংসদে (সংসদ) অনুমোদিত হয়েছিল।

সার্চ কমিটি ইসি পুনর্গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মাসব্যাপী সংলাপের ফলাফল।

এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। আলোচনা শেষ হয় ১৭ জানুয়ারি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলই একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে ‘অনুসন্ধান কমিটি’ গঠনের পাশাপাশি একটি আইন প্রণয়নের কথা বলেছে।

সংবিধানে ইসি গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রায় ৫০ বছর পর বর্তমান সরকারের আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ নিল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি

আপডেট সময় ০৫:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য ছয় সদস্যের একটি ‘সার্চ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যা পরবর্তী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান অনুসন্ধান কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

এই সার্চ কমিটি পরবর্তী ইসি পুনর্গঠনে সরকারকে সহায়তা করবে। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

কমিটিকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২’ শিরোনামের নতুন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে একটি ইসি গঠন আইনে বিলে স্বাক্ষর করেন, যা এর আগে জাতীয় সংসদে (সংসদ) অনুমোদিত হয়েছিল।

সার্চ কমিটি ইসি পুনর্গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মাসব্যাপী সংলাপের ফলাফল।

এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। আলোচনা শেষ হয় ১৭ জানুয়ারি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলই একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে ‘অনুসন্ধান কমিটি’ গঠনের পাশাপাশি একটি আইন প্রণয়নের কথা বলেছে।

সংবিধানে ইসি গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রায় ৫০ বছর পর বর্তমান সরকারের আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ নিল।