ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদারগঞ্জে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মসূচি জামালপুরে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস পালিত ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন জালে জড়ানো জেলে জীবন, হয়ত মাছে-নয়ত ঋণে কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ

মাদারগঞ্জ : খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় একটি সেতুর এক পাশ বালু ও মাটি দিয়ে ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে আকরামুল কবির নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা।

স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেতুর মুখ ভরাট করায় বৃষ্টি ও বন্যার পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝাড়কাটা বাজারের উত্তর পাশে ২০২৫ সালে এলজিইডি প্রায় তিন কোটি ৪৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৯৪ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। সেতুটির নিচ দিয়ে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে বৃষ্টি ও বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ে আশপাশের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশন হত। তবে কয়েক মাস ধরে সেতুর পূর্ব পাশে মাটি ভরাট করে জমি উঁচু করা হচ্ছে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুটি নির্মাণের এক বছরের মধ্যেই এর মুখ ভরাট করে দেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, সেতুর নিচ দিয়ে পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে আকরামুল কবির এই প্রতিবেদককে  বলেন, আমাদের নিজস্ব জায়গায় মাটি ভরাট করেছি। সেখানে একটি খামার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলমগীর কবির এই প্রতিবেদককে বলেন, সেতুটির নিচ দিয়ে সাধারণ সময়ে তেমন পানি প্রবাহিত হয় না। এটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। আমার ভাই তার নিজস্ব জমিতে খামার করার জন্য মাটি ভরাট করেছেন। তবে বন্যার সময় যাতে পানি চলাচল করতে পারে। সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী এই প্রতিবেদককে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। সরকারি স্থাপনা বা পানির স্বাভাবিক প্রবাহে কেউ বাধা সৃষ্টি করে থাকলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ

আপডেট সময় ১০:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় একটি সেতুর এক পাশ বালু ও মাটি দিয়ে ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে আকরামুল কবির নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা।

স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেতুর মুখ ভরাট করায় বৃষ্টি ও বন্যার পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝাড়কাটা বাজারের উত্তর পাশে ২০২৫ সালে এলজিইডি প্রায় তিন কোটি ৪৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৯৪ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। সেতুটির নিচ দিয়ে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে বৃষ্টি ও বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ে আশপাশের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশন হত। তবে কয়েক মাস ধরে সেতুর পূর্ব পাশে মাটি ভরাট করে জমি উঁচু করা হচ্ছে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুটি নির্মাণের এক বছরের মধ্যেই এর মুখ ভরাট করে দেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, সেতুর নিচ দিয়ে পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে আকরামুল কবির এই প্রতিবেদককে  বলেন, আমাদের নিজস্ব জায়গায় মাটি ভরাট করেছি। সেখানে একটি খামার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলমগীর কবির এই প্রতিবেদককে বলেন, সেতুটির নিচ দিয়ে সাধারণ সময়ে তেমন পানি প্রবাহিত হয় না। এটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। আমার ভাই তার নিজস্ব জমিতে খামার করার জন্য মাটি ভরাট করেছেন। তবে বন্যার সময় যাতে পানি চলাচল করতে পারে। সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী এই প্রতিবেদককে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। সরকারি স্থাপনা বা পানির স্বাভাবিক প্রবাহে কেউ বাধা সৃষ্টি করে থাকলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।