ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বপ্ননীড় একাদশ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না জুলাই গণঅভ্যুত্থান : আকাশের দিকে তাকিয়ে এক শহিদের স্ত্রীর আকুতি জামালপুরে এপির উদ্যোগে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত

বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য ছয় সদস্যের একটি ‘সার্চ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যা পরবর্তী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান অনুসন্ধান কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

এই সার্চ কমিটি পরবর্তী ইসি পুনর্গঠনে সরকারকে সহায়তা করবে। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

কমিটিকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২’ শিরোনামের নতুন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে একটি ইসি গঠন আইনে বিলে স্বাক্ষর করেন, যা এর আগে জাতীয় সংসদে (সংসদ) অনুমোদিত হয়েছিল।

সার্চ কমিটি ইসি পুনর্গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মাসব্যাপী সংলাপের ফলাফল।

এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। আলোচনা শেষ হয় ১৭ জানুয়ারি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলই একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে ‘অনুসন্ধান কমিটি’ গঠনের পাশাপাশি একটি আইন প্রণয়নের কথা বলেছে।

সংবিধানে ইসি গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রায় ৫০ বছর পর বর্তমান সরকারের আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ নিল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী

বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি

আপডেট সময় ০৫:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য ছয় সদস্যের একটি ‘সার্চ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যা পরবর্তী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান অনুসন্ধান কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

এই সার্চ কমিটি পরবর্তী ইসি পুনর্গঠনে সরকারকে সহায়তা করবে। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

কমিটিকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২’ শিরোনামের নতুন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৩০ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে একটি ইসি গঠন আইনে বিলে স্বাক্ষর করেন, যা এর আগে জাতীয় সংসদে (সংসদ) অনুমোদিত হয়েছিল।

সার্চ কমিটি ইসি পুনর্গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মাসব্যাপী সংলাপের ফলাফল।

এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। আলোচনা শেষ হয় ১৭ জানুয়ারি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলই একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে ‘অনুসন্ধান কমিটি’ গঠনের পাশাপাশি একটি আইন প্রণয়নের কথা বলেছে।

সংবিধানে ইসি গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রায় ৫০ বছর পর বর্তমান সরকারের আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ নিল।