ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

৯ ডিসেম্বর নকলা মুক্ত দিবস

নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

৯ ডিসেম্বর শেরপুরের নকলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে মরণপণ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের পরাজিত করে নকলা উপজেলাকে হানাদার মুক্ত করেন।

মুক্তিবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ ও সিকিউরিটি অফিসার একলিম শাহ্সহ ৩ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নকলাকে হানাদারমুক্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পিছু হটলেও মুক্তিযোদ্ধারা ১৩০ জন রাজাকার ও আলবদরকে বন্দি করেন। পরে কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর কাছে ১১৭ জন রাজাকার ও আলবদর ১১০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন। সেসময় ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

পরে ৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় নকলা পাইলট হাইস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হয়। এসময় মিত্র বাহিনীর মেজর রানা সিংহ, লেফট্যানেন্ট আবু তাহের, ইপিআর ওয়ারলেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, কোম্পানি কমান্ডার গিয়াস মাস্টার এবং নকলা, শেরপুর ও নালিতাবাড়ীর প্লাটুন কমান্ডার যথাক্রমে নূরুল ইসলাম হিরু, এবি সিদ্দিক, জমির উদ্দিন, কোয়ার্টার মাস্টার জুলহাস উদ্দিন ফকির, মুক্তিযুদ্ধের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য আবুল হাশেমসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন বিজয় উল্লাসে হাজারও মুক্তিকামী মানুষের ঢল নামে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাট্যসাধনায় অনন্য: নাট্যকার ও নির্দেশক বীরমুক্তিযোদ্ধা আসাদুল্লাহ ফারাজী

৯ ডিসেম্বর নকলা মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০৬:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০
নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

৯ ডিসেম্বর শেরপুরের নকলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে মরণপণ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের পরাজিত করে নকলা উপজেলাকে হানাদার মুক্ত করেন।

মুক্তিবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ ও সিকিউরিটি অফিসার একলিম শাহ্সহ ৩ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নকলাকে হানাদারমুক্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পিছু হটলেও মুক্তিযোদ্ধারা ১৩০ জন রাজাকার ও আলবদরকে বন্দি করেন। পরে কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর কাছে ১১৭ জন রাজাকার ও আলবদর ১১০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন। সেসময় ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

পরে ৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় নকলা পাইলট হাইস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হয়। এসময় মিত্র বাহিনীর মেজর রানা সিংহ, লেফট্যানেন্ট আবু তাহের, ইপিআর ওয়ারলেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, কোম্পানি কমান্ডার গিয়াস মাস্টার এবং নকলা, শেরপুর ও নালিতাবাড়ীর প্লাটুন কমান্ডার যথাক্রমে নূরুল ইসলাম হিরু, এবি সিদ্দিক, জমির উদ্দিন, কোয়ার্টার মাস্টার জুলহাস উদ্দিন ফকির, মুক্তিযুদ্ধের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য আবুল হাশেমসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন বিজয় উল্লাসে হাজারও মুক্তিকামী মানুষের ঢল নামে।