ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

৯ ডিসেম্বর নকলা মুক্ত দিবস

নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

৯ ডিসেম্বর শেরপুরের নকলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে মরণপণ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের পরাজিত করে নকলা উপজেলাকে হানাদার মুক্ত করেন।

মুক্তিবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ ও সিকিউরিটি অফিসার একলিম শাহ্সহ ৩ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নকলাকে হানাদারমুক্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পিছু হটলেও মুক্তিযোদ্ধারা ১৩০ জন রাজাকার ও আলবদরকে বন্দি করেন। পরে কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর কাছে ১১৭ জন রাজাকার ও আলবদর ১১০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন। সেসময় ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

পরে ৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় নকলা পাইলট হাইস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হয়। এসময় মিত্র বাহিনীর মেজর রানা সিংহ, লেফট্যানেন্ট আবু তাহের, ইপিআর ওয়ারলেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, কোম্পানি কমান্ডার গিয়াস মাস্টার এবং নকলা, শেরপুর ও নালিতাবাড়ীর প্লাটুন কমান্ডার যথাক্রমে নূরুল ইসলাম হিরু, এবি সিদ্দিক, জমির উদ্দিন, কোয়ার্টার মাস্টার জুলহাস উদ্দিন ফকির, মুক্তিযুদ্ধের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য আবুল হাশেমসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন বিজয় উল্লাসে হাজারও মুক্তিকামী মানুষের ঢল নামে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

৯ ডিসেম্বর নকলা মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০৬:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০
নকলা পৌরসভার রিহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

৯ ডিসেম্বর শেরপুরের নকলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে মরণপণ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের পরাজিত করে নকলা উপজেলাকে হানাদার মুক্ত করেন।

মুক্তিবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ ও সিকিউরিটি অফিসার একলিম শাহ্সহ ৩ শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নকলাকে হানাদারমুক্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পিছু হটলেও মুক্তিযোদ্ধারা ১৩০ জন রাজাকার ও আলবদরকে বন্দি করেন। পরে কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর কাছে ১১৭ জন রাজাকার ও আলবদর ১১০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন। সেসময় ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

পরে ৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় নকলা পাইলট হাইস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হয়। এসময় মিত্র বাহিনীর মেজর রানা সিংহ, লেফট্যানেন্ট আবু তাহের, ইপিআর ওয়ারলেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, কোম্পানি কমান্ডার গিয়াস মাস্টার এবং নকলা, শেরপুর ও নালিতাবাড়ীর প্লাটুন কমান্ডার যথাক্রমে নূরুল ইসলাম হিরু, এবি সিদ্দিক, জমির উদ্দিন, কোয়ার্টার মাস্টার জুলহাস উদ্দিন ফকির, মুক্তিযুদ্ধের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য আবুল হাশেমসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন বিজয় উল্লাসে হাজারও মুক্তিকামী মানুষের ঢল নামে।