ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে চেয়ারম্যান বাবুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার

ইসলামপুরে অধ্যক্ষ ছালামের কুশপুত্তলিকা দাহ, বিক্ষোভ মিছিল

অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের কেবিনের একটি কামরায় নিজ কলেজের প্রাক্তন এক ছাত্রীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জে জে কে এম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, স্মারকলিপি পেশ ও অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে।

২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ট্রেনে সংঘটিত ওই ঘটনার প্রতিবাদে ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও ছাত্র-জনতা এ কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য আফরোজা আজাদ তানিয়া, জাহানারা পারভিন পুঁথি, যুবমহিলালীগের সভাপতি আবিদা সুলতানা যুঁথি, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মোজাহারুল হক, সাবেক ছাত্রনেতা রাহাত পাহলোয়ান, ফারুক ইকবাল হিরো, জিয়াউল হক জুয়েল প্রমুখ।

অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মানববন্ধন চলাকালে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালামের দুটি কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সচেতন এলাকাবাসী পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি স্থানীয় প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ওই অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে গভর্নিং বডি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এ সময় বক্তারা ওই অধ্যক্ষকে ইসলামপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণাসহ ট্রেনের কেবিনের একটি কামরায় ওই ঘটনার মূলহোতা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা না করায় ওই ছাত্রীর পরিবারকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত

ইসলামপুরে অধ্যক্ষ ছালামের কুশপুত্তলিকা দাহ, বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট সময় ০৯:০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০
অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের কেবিনের একটি কামরায় নিজ কলেজের প্রাক্তন এক ছাত্রীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জে জে কে এম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, স্মারকলিপি পেশ ও অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে।

২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ট্রেনে সংঘটিত ওই ঘটনার প্রতিবাদে ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও ছাত্র-জনতা এ কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য আফরোজা আজাদ তানিয়া, জাহানারা পারভিন পুঁথি, যুবমহিলালীগের সভাপতি আবিদা সুলতানা যুঁথি, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মোজাহারুল হক, সাবেক ছাত্রনেতা রাহাত পাহলোয়ান, ফারুক ইকবাল হিরো, জিয়াউল হক জুয়েল প্রমুখ।

অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মানববন্ধন চলাকালে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালামের দুটি কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সচেতন এলাকাবাসী পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি স্থানীয় প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ওই অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে গভর্নিং বডি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এ সময় বক্তারা ওই অধ্যক্ষকে ইসলামপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণাসহ ট্রেনের কেবিনের একটি কামরায় ওই ঘটনার মূলহোতা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা না করায় ওই ছাত্রীর পরিবারকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দেওয়া হয়।