ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

সরিষাবাড়ীতে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, হাসপাতালে নেই স্যালাইন

সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি ডায়রিয়ার রোগীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি ডায়রিয়ার রোগীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় প্রচন্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দিনে দিনে বেড়েই চলছে। সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ৩০ জানুয়ারি ভোর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ২৫ জন শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। কোল্ড ডায়রিয়া রোগে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এ ডায়রিয়ার একমাত্র প্রতিষেধক কলেরা স্যালাইন। তাও আবার হাসপাতালে কলেরা স্যালাইন সংকট।

প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহে ও ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারী মাসে শৈত্যপ্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৩২৮ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ জানুয়ারি রাতে এক বছরের শিশু ইয়াসিন আরাফাত ও ৬ মাসের শিশু ছেলে আলিফ এ দু’জনের মৃত্যু হয়।

চিকিৎসাধীন ডায়রিয়ার আক্রান্ত এক বছরের শিশু আবু সাঈদের মা সন্ধ্যা খাতুন, শিশু মীম আক্তারের (১৩ মাস) বাবা মিন্টু মিয়া ও আড়াই বছরের শিশু বায়েজিত আহম্মেদের বাবা তাজ উদ্দিন জানান, কলেরা স্যালাইন বাইরের দোকান থেকে বেশি মূল্য দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেয় না।

৩০ জানুয়ারি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা হলেন- আল ওয়াসিম (১৩ মাস), সামিয়া (২), রায়হান (১২), মরিয়ম বেগম (৬০), শাহিনুর (১০ মাস), আব্দুল্লাহ (৭ মাস), জান্নাত (১১ মাস), সুরুজ মিয়া (২০), রাবেয়া খাতুন (২৭), সাইমা (৯ মাস), হাদিয়া (১৯ মাস), আলিফ হোসেন (১), সাবিদ (১৫ মাস), শাহিন (১০ মাস), হাফসা (৬ মাস), রহিম (১০ মাস), স্নেহা (৭ মাস), তাওহীদ (৩ মাস), খাদিজা (১০ মাস), ফারজানা (২), আতিক (৮ মাস), আরাফাত (১৫ মাস)।

হাসপাতালের নার্স ইনচার্জ সুলতানা রাজিয়া বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ৫০০ এমএল এবং দু’দিন ধরে ১ হাজার এমএল কলেরা স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগীদের কলেরা স্যালাইন বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, হাসপাতালে নেই স্যালাইন

আপডেট সময় ১১:০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০
সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি ডায়রিয়ার রোগীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় প্রচন্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দিনে দিনে বেড়েই চলছে। সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ৩০ জানুয়ারি ভোর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ২৫ জন শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। কোল্ড ডায়রিয়া রোগে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এ ডায়রিয়ার একমাত্র প্রতিষেধক কলেরা স্যালাইন। তাও আবার হাসপাতালে কলেরা স্যালাইন সংকট।

প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহে ও ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারী মাসে শৈত্যপ্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৩২৮ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ জানুয়ারি রাতে এক বছরের শিশু ইয়াসিন আরাফাত ও ৬ মাসের শিশু ছেলে আলিফ এ দু’জনের মৃত্যু হয়।

চিকিৎসাধীন ডায়রিয়ার আক্রান্ত এক বছরের শিশু আবু সাঈদের মা সন্ধ্যা খাতুন, শিশু মীম আক্তারের (১৩ মাস) বাবা মিন্টু মিয়া ও আড়াই বছরের শিশু বায়েজিত আহম্মেদের বাবা তাজ উদ্দিন জানান, কলেরা স্যালাইন বাইরের দোকান থেকে বেশি মূল্য দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেয় না।

৩০ জানুয়ারি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা হলেন- আল ওয়াসিম (১৩ মাস), সামিয়া (২), রায়হান (১২), মরিয়ম বেগম (৬০), শাহিনুর (১০ মাস), আব্দুল্লাহ (৭ মাস), জান্নাত (১১ মাস), সুরুজ মিয়া (২০), রাবেয়া খাতুন (২৭), সাইমা (৯ মাস), হাদিয়া (১৯ মাস), আলিফ হোসেন (১), সাবিদ (১৫ মাস), শাহিন (১০ মাস), হাফসা (৬ মাস), রহিম (১০ মাস), স্নেহা (৭ মাস), তাওহীদ (৩ মাস), খাদিজা (১০ মাস), ফারজানা (২), আতিক (৮ মাস), আরাফাত (১৫ মাস)।

হাসপাতালের নার্স ইনচার্জ সুলতানা রাজিয়া বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ৫০০ এমএল এবং দু’দিন ধরে ১ হাজার এমএল কলেরা স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগীদের কলেরা স্যালাইন বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়।